জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর রাজনীতি

সংবিধান সংশোধনে তড়িঘড়ি হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

 PM-sk-L20130920205931 নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর:  সংবিধান সংশোধনীতে কোন তড়িঘড়ি করা হয়নি- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের ক্ষমতা জনগণকেই ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে গণভবনে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাছাইয়ে তৃনমূলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। মতবিনিময়ে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, থানা, মহানগর ও ১ম শ্রেণীর পৌর কমিটির আ. লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে। শান্তিতে থাকতে চাইলে আবারো আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা আওয়ামী লীগের গত আমলেও এরকম বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল। বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। তাদের ধর্মীয় এ অপপ্রচার সম্পর্কে দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে।

এসব অপপ্রচার বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের আরো সতর্ক থাকার পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ভোট আওয়ামী লীগ না বিএনপি পাবে সে সিদ্ধান্ত জনগণকেই নিতে হবে। কারণ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন হয়। সবাই বিনামূল্যে বই ও অষুধ পায়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ে আর চালের দাম কমে। সার জনগণের পেছনে ছোটে। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কেউ দরদ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করে না।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা জনগণের কল্যাণ নয়, নিজেদের স্বার্থ দেখে। তাদের সময় জঙ্গিবাদ, লুটপাট ও সন্ত্রাস হয়। কিন্তু দেশের কোনো উন্নয়ন হয় না।
বিকেল ৩টায় গণভবনের এ সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সতিশ চন্দ্র রায়, নুহ আলম লেলিন, কাজী জাফরুল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, কার্যকরি সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণালকান্তি দাশ।

সভায় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়ন সম্পর্কে কুমিল্লা (উত্তর), কুমিল্লা (দক্ষিণ), চট্টগ্রাম (উত্তর), চট্টগ্রাম (দক্ষিণ), চট্টগ্রাম মহানগর, পাবনা, রংপুর জেলা ও জেলাধীন থানা, উপজেলার ১ম শ্রেণীর পৌর আওয়ামী লীগসহ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মতামত নেওয়া হয়।