জাতীয় ঢাকা

যায়যায়দিন পত্রিকার প্রকাশসহ তিন জন খালাস

download (5) আদালত প্রতিবেদক:  হয়রানিমূলক মামলা থেকে আদালত খালস দিয়েছেন যায়যায়দিন পত্রিকার সম্পাদক ম-লীর সভাপতি সাঈদ হোসেন চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কাজী রোকনউদ্দিন আহমেদ ও প্রতিবেদক সাখাওয়াত হোসেনকে। গতকাল ঢাকার মহানগর হাকিম সাবরিনা আলী মামলার দায় থেকে এদের খালাস দেওয়ার এই আদেশ দেন। এর আগে গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর যায়যায়দিন পত্রিকার সম্পাদক ম-লীর সভাপতি ও প্রকাশক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মানহানির এই মামলা করে মেঘনা গ্রুপ ইন্ডাস্ট্রিজ এর চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল। তিনি আরজিতে উল্লেখ করেছিলেন, গত বছরের ১২ অগাষ্ট তারিখে “মেঘনার ২২ মিলিয়ন মার্কন ডলার জালিয়াতি” এবং ১৪ অগাষ্ট তারিখে মেঘনার মানি লন্ডারিং তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু” শিরোনামে এবং মিথ্যা , উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়। মামলার বিবরনে জানা যায়, বাদীর প্রতিষ্ঠান দক্ষতার সঙ্গে আন্তজার্তিক মানের ভোগ্য পণ্য, সিমেন্ট, ফিস ফিড,ওভেন ব্যাগ ও অন্যান্য সামগ্রী উৎপাদন করে ফ্রেশ ব্যান্ড নামে বাজারজাত করে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করে থাকে। দেশের ক্রমবর্ধমান বৈদ্যুতিক চাহিদার কথা চিন্তা করে বাদির প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে ও অর্থায়নে বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র (পাওয়ার প্ল্যান্ট) প্রতিষ্ঠা করে নিজের প্রতিষ্ঠানের কারখানায় ব্যবহার করেন ও অবশিষ্টাংশ সরকারকে প্রদান করে দেশের সামগ্রিওক বিদ্যুত সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখছেন।

শুনানীতে আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, বহুল প্রচারিত জতীয় বাংলা দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকায় বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্য-উপাত্ত সমৃদ্ধ সংবাদ প্রকাশিত ও পরিবেশিত হয়ে থাকে। বাদীর আরজিতে বর্ণিত ও কথিত মানহানিকর অভিযোগ সম্পুর্ন অসত্য। বাদী পক্ষ এই পএিকার সত্য সংবাদের প্রেক্ষিতে প্রতিহিংসা বশত: মিথ্যা ঘটনা তৈরী করে অএ মামলা আনয়ন কলিয়াছেন। এ ছাড়া যে সকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে তারা বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের পরীক্ষিত কলম সৈনিক। তাহার সত্য ও বস্তনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেএে দেশের জন্য অগ্রদুত হিসাবে কাজ করিয়া আসিতেছেন। তারা কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করে কখনো কোনো সংবাদ প্রকাশ করেন না। বদী পক্ষ তাহাদের হয়রানীর উদ্দেশ্যে এই মামলায় সম্পৃক্ত করিয়াছেন।