অপরাধ ঢাকা

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা অভিযোগ গঠনের শুনানি ৬ অক্টোবর

download (6) আদালত প্রতিবেদক:  জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল খালেদা জিয়ার আইনজীবী খোরশেদ মিয়া আলম সময় চেয়ে আবেদন করলে ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন এ দিন ধার্য করেন। সময় আবেদনে বলা হয় ‘মামলার আসামি খালেদা জিয়া বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে রাজনৈকি সভায় ব্যাস্ত থাকায় তিনি আদালতে হাজির হতে পারেননি।’ এছাড়া মামলা অপর আসামি ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ। এসময় দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সময় আবেদনের বিরোধীতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। এ মামলার জামিনপ্রাপ্ত অপর আসামি বিআইডব্লিউটি এর সাবেক নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডক্টর জিয়াউল ইসলাম মুন্না আদালতে হাজির ছিলেন। আরেক আসামি খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে জমি কেনায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ২০১১ সালের ৮ অগাস্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)  মামলায় বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। মামলায় খালেদা জিয়া, হারিছ চৌধুরী, মনিরুল ইসলাম ও ডক্টর জিয়াউল ইসলাম মুন্নাকে অভিযুক্ত করে গত ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ খান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়, জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ অর্থ এসেছে অবৈধ উৎস থেকে।