জাতীয় ঢাকা

‘শিশাপাংমা’ জয়ে বাংলাদেশের অভিযান

Nishat--Muhit-sm20130914101542 নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর: পৃথিবীর ১৪তম শিখর ‘শিশাপাংমা’ জয়ের জন্য অভিযান পরিচালনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের ১ম নারী এভারেস্ট বিজয়ী নিশাত মজুমদার ও ২ বারের এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিত এ অভিযান পরিচালনা করবেন। তারা আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নেপালের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং ২০ সেপ্টেম্বর তিব্বত সীমান্ত ‘জাংমু’ থেকে ৩০ দিন ব্যাপি এ অভিযান শুরু করবেন। এ উপলক্ষে শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলা মাউন্টেইনিং অ্রান্ড ট্রেকিং ক্লাবের উদ্যোগে এক পতাকা প্রদান অনুষ্ঠান ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।  অনুষ্ঠানে অভিযাত্রী দলের হাতে পতাকা অর্পণ করেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, গ্রামীণ ফোনের হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশনস সৈয়দ তাহমীদ আজিজুল হক, প্যারাগন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম হাফিজ আহমেদ ও বাংলা মাউন্টেইনিং অ্রান্ড ট্রেকিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক প্রমুখ।  এসময় ব্যারিস্টার রফিক উল হক বলেন, ‘১৯৫৩ সালে সর্বপ্রথম যখন বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ জয় হলো তখন আমরা আশ্চর্য হয়েছিলাম। আজ আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা এটা জয় করলো। এ অর্জন আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।’ তিনি নতুন আরেকটি অর্জনের পথে অভিযাত্রী দলের শুভ কামনা করেন এবং অভিযান শেষে সুষ্ঠুভাবে ফিরে আসার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রান্তরে পৌঁছে দেয়ার ইচ্ছাটাকে আমি শ্রদ্ধা জানাই। আমরা সবাই তাদের জন্য দোয়া করি তারা যেন ভালোভাবে ফিরে এসে আমাদের এই বিষয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে পারেন।’ তিনি বলেন, সকলের উৎসাহ, ভালোবাস আর দোয়া তাদের চলার পথে উৎসাহ-প্রেরণা জোগাবে। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শিশাপাংমা পর্বতটি এভারেস্টের মতো ৮ হাজার মিটারের অধিক উচ্চতার ১৪ টি শিখরের একটি। ২৯,২৮৯ ফুট উঁচু এই শিখরটি তিব্বতে অবস্থিত। মুহিত-নিশাতই প্রথম বাংলাদেশি যারা এটিতে অভিযান পরিচালনা করতে যাচ্ছেন। এবারের অভিযানে তাদের স্পন্সর করেছে গ্রামীণ ফোন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, প্যারাগন গ্রুপ, ন্যাশনাল ক্রেডিট কমার্স ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, রেজা গ্রুপ ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।