জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর রাজনীতি সারাদেশ

বসছে সংসদ

  ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর: শুরু হতে যাচ্ছে নবম জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশন। আগামী নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপের মধ্যেদিয়ে ৫৭ দিন বিরতির পর বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা থেকে বসছে জাতীয় সংসদের এই অধিবেশন।

এই অধিবেশনই চলতি সংসদের শেষ অধিবেশন হতে পারে। তবে ২৪ অক্টোparlament20130911194128বর মেয়াদ শেষের আগে আরেকটি অধিবেশন বসার সম্ভাবনাও আছে।
সংবিধান সংশোধন করে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপি এই অধিবেশনে যোগ দেবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করেনি দলটি।
যদিও বর্তমান সংবিধান অনুসরণ করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের পক্ষপাতি আওয়ামী লীগ তাদের প্রস্তাব সংসদেই তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে আসছে।
নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে দুই দলের বিপরীত অবস্থানের মধ্যে সংসদ অধিবেশন শুরুর আগের দিন বুধবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী জানান, গত অধিবেশনের মতো এবারো বিরোধী দলকে সংসদে দেখার আশা করছেন তিনি।
এই অধিবেশনের মেয়াদ কত দিন হবে- তা নির্ধারণে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক বসবে, যাতে সভাপতিত্ব করবেন স্পিকার। সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা উভয়ই এই কমিটির সদস্য।
চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে দুই দলের মধ্যে সংলাপ আয়োজনে কোনো ভূমিকা রাখবেন কি না- জানতে চাইলে শিরীন শারমিন বলেন, “আমি আগেও বলেছি, এ ব্যাপারে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারা আগ্রহী হলে আমি কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী আমার দায়িত্ব পালন করব।”
অন্যদিকে দলের বিভিন্ন সভায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রীও বলে আসছেন, সংবিধানের বর্তমান ধারা অনুযায়ী অর্থাৎ দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ বহাল রেখেই নির্বাচন হবে।
এর আগে সংসদের গত অধিবেশনটি ছিল বাজেট অধিবেশন। এ অধিবেশনে বাজেটের ওপর মোট ৬১ ঘণ্টা ১৩ মিনিট আলোচনা হয়।
বাজেটের ওপর আওয়ামী লীগের ১৫০ জন, বিএনপির ৩০ জন, জাতীয় পার্টির ১৮ জন, জাসদের ৩ জন, ওয়ার্কার্স পার্টির ২ জন, এলডিপির ১ জন, বিজেপি ১ জন এবং জামায়াতের ১ জন সংসদ সদস্য আলোচনায় অংশ নেন।