জাতীয় প্রধান খবর রাজশাহী স্বাস্থ্য

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৭জন এ্যানথ্রাক্স র রোগী (তরকা রোগ) সনাক্ত

&&&&&&&&&&&&দিলীপ গৌর,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:  সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার চরকৈজুরি গ্রামে আবারও এ্যানথ্রাক্স রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যেই ৭ জন রোগীকে সনাক্ত করা হয়েছে। আক্রান্তরা হলেন, মঞ্জুয়ারা (২৫), সোনেকা (১১),বিলকিস (২২), সুফিয়া (২৫), টুকু প্রামানিক (৩২), আরিফুল (১০) ও শফিকুল (৩০) উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এরই মধ্যে আক্রান্তদের শনাক্ত করে চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন বলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লে¬ক্সের মেডিকেল কনসালট্যান্ট আব্দুল বাতেন জানান। জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠ কর্মীরা উপজেলা যমুনা তীরবর্তী কৈজুরী ইউনিয়নের চরকৈজুরী গ্রামের টুকু প্রামানিককের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে ঘা দেখে প্রাথমিক ভাবে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্তের বিষয়টি শনাক্ত করেন । পরে মাঠ কর্মীরা ওই গ্রামের আরও ৬ ব্যাক্তির হাতে একই ধরনের ঘা দেখতে পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লে¬ক্সের নিয়ে আসেন। সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্রান্তদের ঘা দেখে তা এ্যানথ্রাক্স বলে শনাক্ত করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকা ঘুরে জানা গেছে, গত ২৫ আগস্ট চরকৈজুরি গ্রামের মৃত আজাহার প্রামানিকের ছেলে মুকুল তার গোখামারের একটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই গরুটি জবাই করে তার মাংস কম দামে প্রতিবেশিদের কাছে বিক্রি করে । জবাই করা গরুটি অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হওয়ায় ওই মাংস কাটা ও ধোয়া-মোছার সাথে জড়িতরা এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানান। খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল আউয়াল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, সময়মতো গবাদী পশুকে প্রতিষেধক টিকা না দেয়ার কারণেই গরুটি অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়। এ ব্যাপারে গতকাল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল হাই’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গত মার্চ মাসে ওই গ্রামের সকল গবাদী পশুকে অ্যানথ্রাক্স প্রতিষেধক টিকা দেয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন আক্রান্ত গরুটি টিকা দেয়ার পর বাইরের কোন হাট থেকে কেনা হয়েছে।