অপরাধ খুলনা

যশোরে সন্ত্রীদের পৈচাশিক কর্মকান্ড

2রিপন হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:  এক লাখ টাকা চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আহসানুল করিম রহমান দলবল নিয়ে শহরের সার্কিট হাউজ পাড়ার এক ব্যবসায়ীর মালিকানা ধীন ছাত্র হোস্টেলের জানালা দরজা খুলে নিয়ে গেছে। বাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়েছে সব ভাড়াটিয়া । দফায় দফায় চলছে এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে বোমা হামলা। সন্ত্রাসীদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে এই ব্যবসায়ী ব্রেন স্ট্রোক করে এখন হাসপাতালে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। ছেলে মেয়েরা সন্ত্রাসীদের ভয়ে স্কুল কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে । শহরের সার্কিট হাউজপাড়ার বাসিন্দা ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম। তার স্ত্রী সালমা ইসলাম জানান, গত রোজার ঈদের পর ছাত্রলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আহসানুল করিম রহমান, সুজনসহ ৮/১০ যুবক অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে যায় এবং নুরুল ইসলামকে ঘরের বাইরে ডেকে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। নুরুল ইসলাম টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা তাকে মারপিট করে বাড়ির সামনে ফেলে চলে যায়। ওই দিন রাত দেড়টার দিকে নুরুল ইসলামের ব্রেন স্ট্রোক হয়। সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হলেও তার অবস্তার কোন উন্নতি হয়নি। বর্তমানে তিনি যশোরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। আর এই অবস্থায় মঙ্গলাবার রাতে রহমান দলবল নিয়ে নুরুল ইসলামের মালিকানা ধীন ছাত্র হোস্টেলের ৯টি জানালা, ও ১০ টি দরজা খুলে নিয়ে গেছে। শুধু তাই নয় নুরুল ইসলামের চারতলা আরেক বাড়ি থেকে সব ভাড়াটিয়া এই সন্ত্রাসীরা নামিয়ে দিয়েছে। ফলে এই পরিবারটি আয়ের সব পথ বন্ধ করে দিয়েছে। নিচতল নিজ বাড়িতে সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঘরের জানালা দরজা বন্ধ করে কোন রকম বেঁচে আছেন নুরুল ইসলামের স্ত্রী সালমা ইসলাম। তার তিন মেয়ে এক ছেলের স্কুলও এই সন্ত্রাসীদের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে সালমা ইসলাম আজ বুধবার কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। কোতয়ালী থানার ওসি এমদাদুল হক শেখের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা অভিযোগ রহমানকে আটক করেছি। এখন তার জিগসাবাদ চলছে।