জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর রাজনীতি সারাদেশ

নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই: প্রধানমন্ত্রী

PM-AL+Meetingনিজস্ব প্রতিবেদক হটনিউজ২৪বিডি.কম:  বিরোধী দলের প্রবল আপত্তির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার বললেন, দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ বহাল রেখেই আগামী নির্বাচন হবে।“নির্বাচন সংবিধান মোতাবেক হবে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কোনো একটা জায়গা থেকে শুরু করতে হবে। যাতে দেশ ও জাতিকে বার বার অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে পড়তে না হয়।”দশম সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু করতে বুধবার গণভবনে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। পঞ্চদশ সংশোধনের পর সংবিধানের বর্তমান ধারা অনুযায়ী, সংসদ বহাল রেখে বর্তমান সরকারের অধীনে আগামী নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হবে।

গত সোমবার সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি উল্লেখ করে সচিবদের নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে নির্দেশনা দিলে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলনরত বিএনপি।

বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এর মাধ্যমে সমঝোতার পথ বন্ধ হয়ে গেল। বিরোধী দলের দাবি উপেক্ষা করে আসা শেখ হাসিনা বলেন, “গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত ও সংবিধানকে সমুন্নত রেখে নির্বাচন ও ক্ষমতা হস্তান্তরের সূচনা আমরাই করব। “নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে এবং নির্বাচিত সরকারের কাছেই ক্ষমতা হস্তান্তর করব।”

বিরোধী দলের দাবি, নির্দলীয় সরকার না হলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না। অন্যদিকে শেখ হাসিনা বলে আসছেন, নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ হবে না এবং যে কোনো ফল মেনে নিতে তিনি তৈরি। আগামী নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে গণভবনে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।মতবিনিময়ের প্রথম দিনে দিনাজপুর, জামালপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, লালমনিরহাট, গাজীপুর ও ভোলা জেলা, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন। প্রতিটি আসনের তৃণমূলের নেতাদেরকে তিনজন করে প্রার্থীর নাম সুপারিশ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে একশ’তে কাকে কত নম্বর দেবেন তা দিতেও বলেন।