অপরাধ ঢাকা

শিশু অপহরণ নাটক, পুলিশের টার্গেট বাবা ও চাচা

 

images (1)

বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি:(ফলোআপ), জামালপুরের বকশীগঞ্জ থেকে অপহরণ করা স্কুল ছাত্র মওদুদ কে বিনা মুক্তিপনে অপহরণের পর অলৌকিক ভাবে উদ্ধারের ঘটনায় জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। থানা পুলিশও অধির আগ্রহে রহস্যাবৃত্ত এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে মরিয়া হয়ে উঠেছে। শিশু মওদুদ অপহরণের মুল নায়ক কে, তা বের করত পুলিশ নিবির ভাবে তদন্ত করছে। ওই অপহরণের পেছনে কারা কি ভাবে কাজ করেছেন তা বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন পুলিশ। তবে অপহরণের এই ঘটনাটি পারিবারিক সাজানো নাটক বলে এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। নাটকীয় এ অপহরণ ঘটনার পেছনে পারিবারিক দ্ব›েদ্ধরও গন্ধ পাওয়া গেছে। অপহরণের শিকার মওদুদের বাবা সেনা সদস্য আরিফুলের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও মোটা অংকের নগদ টাকা পয়সা তার মা ফাতেমা বেগম কুক্ষিগত করে রেখেছে। এ কারণে স্ত্রীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে মওদুদের পিতা সেনা সদস্য আরিফুল হক। তাই নিজ স্ত্রীর জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাওয়ার বিকল্প পথ হিসেবে মওদুদের বাবা আরিফুল ও চাচা আলাল এই অপহরণ নাটকের সূত্রপাত করতে পারে বলেও একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। গত রোববার বকশীগঞ্জের শহীদ তিতুমীর আইডিয়াল একাডেমি থেকে শিশু মওদুদ নিখোঁজ হয়। পরে ওই দিন বিকালেই একটি মোবাইল ফোন থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় মওদুদের মা ফাতেমা বেগমের কাছে। অপহরণের এই ঘটনা মুহুর্তের মধ্যেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশও তৎপর হয়ে উঠে। পুলিশের ভাষ্য, দুপুরে মওদুদকে অপহরণ করা হয় বকশীগঞ্জ থেকে। আবার ওই দিন সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যেই মওদুদের চাচা আলাল নাটকীয় ভাবে বিনা মুক্তিপনে তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার করে আনেন। এতো অল্প সময়ের মধ্যে কিভাবে মওদুদ সেখানে গেলো আবার দ্রুত ফিরেও এলো সেটাও ভাবছে পুলিশ। অপর দিকে মওদুদের কথামত অপহরন নাটকের অভিনেতা মুখে দাড়িওয়ালা লোকটিকেও খুঁজছে পুলিশ। পুলিশের সন্দেহ ওই দাড়িওয়ালা লোকটিই আরিফুলের ভাই আলাল। শেষ পর্যন্ত এ ঘটনায় জন্মদাতা পিতা আরিফুল ও চাচা আলাল ফেঁেস যেতে পারে বলেও পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। আবার অন্যকোন চক্র এখানে কাজ করেছে কিনা সেটাও গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে পুলিশ। শিশু মওদুদ অপহরণের রহস্য উদঘাটনে হটনিউজ ২৪ বিডি ডটকমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। চোখ রাখুন আগামী সংখ্যায়।