জাতীয় ঢাকা

সেবার মানবৃদ্ধিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি-মেয়র

Narail Photo-2 (03.09.13)নড়াইল প্রতিনিধি ০৩সেপ্টেম্বর : নড়াইলের কালিয়া পৌরবাসীর সমস্যার যেন শেষ নেই। জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, পানি সরবরাহসহ বহুবিধ সমস্যার মধ্যদিয়ে চলছে জীবনযাত্রা। এ সমস্যা কবে নাগাদ শেষ হবে তা কেউ জানেনা। পৌর মেয়র বলছেন ‘নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি’।

কালিয়া পৌরসভা সুত্রে জানাগেছে, ১৯৭৬ সালে কালিয়া পৌরসভা গঠিত হয়। শুরু থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ৩৫ বছর ৩য় শ্রেণী মানের পৌরসভা থাকায় নাগরিক সেবার মান তেমন ভাল ছিল না। ২০১২ সালের পৌরসভাটি দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয়। ১৭টি গ্রাম নিয়ে গঠিত কালিয়া পৌরসভায় বর্তমানে জনসংখ্যা ২৫ হাজার এবং ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজারের মতো।

সরেজমিন কালিয়া পৌরএলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, পৌর এলাকার অধিকাংশ রাস্তাঘাটের অবস্থা বেহাল দশা। কাদা-পানির মাড়িয়ে পথচারীদের পথ চলতে হচ্ছে। টেম্পুস্টান্ড না থাকায় যত্রতত্র ইজিবাইক, টেম্পু, ভ্যানসহ হালকা যানবাহন দাড়িয়ে থাকায় পথচারীরা আরও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ডেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে আছে বিভিন্ন স্থানে। মৃতপায় পুকুরগুলিতে কচুরীপানায় ভরে আছে। এখান থেকে মশার বংশ বিস্তার ঘটছে। পৌর এলাকা আংশিক পানি সরবরাহের আওতায় আসলেও অধিকাংশ এলাকায় পানি সরবরাহ না থাকায় আর্সেনিকমুক্ত পানির সংকট রয়েছে।

নারী কাউন্সিলর আয়না মতি বাগচী ও জোসনা বেগম জানান, পৌর এলাকায় নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন। আয়বর্ধনমুলক কাজ ও পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে নারীদের সম্পৃক্ত করে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

পৌর কাউন্সিলর মোশাররফ হোসেন জানান, কালিয়া শহর বেষ্টিত নবগঙ্গা নদীতে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় জেলা শহরের সাথে কালিয়া পৌর এলাকার সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্ভব হয়না। যানবাহন পারাপারের জন্য ফেরী থাকলেও তা অনেক সময় বিকল হয়ে থাকে। আবার স্রোতের কারনে ফেরাঘাট ভাঙ্গনের কারনে ফেরী চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যার কারনে কালিয়া বাসীকে নিরুপায় হয়ে খুলনামুখী হতে হয়।

কালিয়া পৌরসভার মেয়র এ্যাডভোকেট বিএম এমদাদুল হক টুলু জানান, পৌর এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। তিনি নির্বাচিত হবার পর পৌরবাসীর সেবার মান বৃদ্ধির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তির সহযোগিতায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাস্তা সংস্কার, ২২লাখ টাকা ব্যায়ে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। এক কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যায়ে অত্যাধুনিক কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, ১ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে পৌরভবন নির্মাণ, ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে চান্দিনা নির্মাণ, ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে শহীদ এখলাচ উদ্দিন পাঠাগার নির্মাণ, ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাইলট স্কুলের প্রাচীর নির্মাণ, ৮লাখ টাকা ব্যয়ে পানি সরবহারের কাজ, এবং শতাধিক পরিবারে স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সেবার মানবৃদ্ধিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি-মেয়র

 

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়া পৌরবাসীর সমস্যার যেন শেষ নেই। জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, পানি সরবরাহসহ বহুবিধ সমস্যার মধ্যদিয়ে চলছে জীবনযাত্রা। এ সমস্যা কবে নাগাদ শেষ হবে তা কেউ জানেনা। পৌর মেয়র বলছেন ‘নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি’।

কালিয়া পৌরসভা সুত্রে জানাগেছে, ১৯৭৬ সালে কালিয়া পৌরসভা গঠিত হয়। শুরু থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ৩৫ বছর ৩য় শ্রেণী মানের পৌরসভা থাকায় নাগরিক সেবার মান তেমন ভাল ছিল না। ২০১২ সালের পৌরসভাটি দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয়। ১৭টি গ্রাম নিয়ে গঠিত কালিয়া পৌরসভায় বর্তমানে জনসংখ্যা ২৫ হাজার এবং ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজারের মতো।

সরেজমিন কালিয়া পৌরএলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, পৌর এলাকার অধিকাংশ রাস্তাঘাটের অবস্থা বেহাল দশা। কাদা-পানির মাড়িয়ে পথচারীদের পথ চলতে হচ্ছে। টেম্পুস্টান্ড না থাকায় যত্রতত্র ইজিবাইক, টেম্পু, ভ্যানসহ হালকা যানবাহন দাড়িয়ে থাকায় পথচারীরা আরও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ডেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে আছে বিভিন্ন স্থানে। মৃতপায় পুকুরগুলিতে কচুরীপানায় ভরে আছে। এখান থেকে মশার বংশ বিস্তার ঘটছে। পৌর এলাকা আংশিক পানি সরবরাহের আওতায় আসলেও অধিকাংশ এলাকায় পানি সরবরাহ না থাকায় আর্সেনিকমুক্ত পানির সংকট রয়েছে।

নারী কাউন্সিলর আয়না মতি বাগচী ও জোসনা বেগম জানান, পৌর এলাকায় নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন। আয়বর্ধনমুলক কাজ ও পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে নারীদের সম্পৃক্ত করে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

পৌর কাউন্সিলর মোশাররফ হোসেন জানান, কালিয়া শহর বেষ্টিত নবগঙ্গা নদীতে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় জেলা শহরের সাথে কালিয়া পৌর এলাকার সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্ভব হয়না। যানবাহন পারাপারের জন্য ফেরী থাকলেও তা অনেক সময় বিকল হয়ে থাকে। আবার স্রোতের কারনে ফেরাঘাট ভাঙ্গনের কারনে ফেরী চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যার কারনে কালিয়া বাসীকে নিরুপায় হয়ে খুলনামুখী হতে হয়।

কালিয়া পৌরসভার মেয়র এ্যাডভোকেট বিএম এমদাদুল হক টুলু জানান, পৌর এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। তিনি নির্বাচিত হবার পর পৌরবাসীর সেবার মান বৃদ্ধির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তির সহযোগিতায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাস্তা সংস্কার, ২২লাখ টাকা ব্যায়ে ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। এক কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যায়ে অত্যাধুনিক কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, ১ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে পৌরভবন নির্মাণ, ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে চান্দিনা নির্মাণ, ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে শহীদ এখলাচ উদ্দিন পাঠাগার নির্মাণ, ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাইলট স্কুলের প্রাচীর নির্মাণ, ৮লাখ টাকা ব্যয়ে পানি সরবহারের কাজ, এবং শতাধিক পরিবারে স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।