চট্টগ্রাম জাতীয়

নোয়াখালীকে ডাকাত ও দস্যু মুক্ত করা হবে-পুলিশ সুপার

Noakhali News(2)pic 01.09.2013 কামাল হোসেন মাসুদ,নোয়াখালী প্রতিনিধি: হাতিয়ায় জলদস্যু নিধন অভিযান নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। নোয়াখালী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ‘অপারেশান হাতিয়া’ নামে গত ২৭ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত টানা এই অভিযানে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে এবং জনতার পিটুনীতে দুই বাহিনী প্রধানসহ ৬জন নিহত। এই সময়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৬জনকে। এনিয়ে হাতিয়া থানায় হত্যা, অস্ত্রসহ সাতটি মামলা দায়ের করা হয়। আগ্নেয়াস্ত্র ও বিষ্ফোরকসহ বিপুল পরিমান অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে । উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে ৬টি বন্দুক, ৬টি এলজি, ৩২ রাউন্ড কার্তুজ, ৩ রাউন্ড থ্রি নট থ্রি রাইফেলের গুলি, ২৫টি সিগন্যাল লাঞ্চার (সিগন্যাল বোমা), ৫টি রাম দা ও একটি চাইনিজ কুড়াল। অভিযানে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন ইউনুস বাহিনীর প্রধান মো. ইউনুছ ওরফে এমরান ৩৫ এবং গণপিটুনীতে নিহত হন আশরাফ বাহিনী প্রধান আশরাফ ৩৫। এছাড়া গণপিটুনীতে অপর নিহতরা হচ্ছে- আলতাফ হোসেন ৩২, কেফায়েত উল্যা ৩১, সারোয়ার ৩৪ ও ওসমান ৩৩। শনিবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে ‘অপারেশান হাতিয়া’র উদ্ধারকৃত অস্ত্র উপস্থাপন করে অভিযানের বর্ণনা দেন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান পিপিএম। এ সময় নোয়াখালীকে ডাকাত ও দস্যু মুক্ত করা হবে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম, সহকারি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিস্কৃতি চাকমাসহ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান- উপকূলীয় এলাকায় জেলেদের নির্বিঘœ মাছ ধরা এবং জানমালের নিরাপত্তায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। একজন দস্যু থাকা পর্যন্ত অভিযান চলবে বলেও তিনি জানান। গত ৫দিনের এ অভিযানকে ‘অপারেশান হাতিয়া’ নামকরণ করা হয়েছে।