খুলনা জাতীয়

কেশবপুরে ৫শ পরিবার পানিবন্দি

water20130828211816হটনিউজ২৪বিডি.কম,যশোর, ২৯ আগস্ট : যশোরের কেশবপুর উপজেলায় প্রচণ্ড বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পানিতে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
প্লাবিত এলাকাগুলো হলো আওয়ালগাতি, নেহালপুর, শেখপুরা ও মহাদেবপুর। এসব এলাকায় ব্যাপকহারে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেডিক্যাল টিমকে জলাবদ্ধ এলাকায় সার্বক্ষণিক কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ অবস্থায় প্রায় ৫শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে গত ১০ দিন ধরে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। এদিকে প্লাবিত এলাকায় গত ১০ দিনেও পানিবন্দি মানুষের কাছে কোনো সরকারি সাহায্য পৌঁছায়নি।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রচণ্ড বৃষ্টি ছাড়াও উজান থেকে আসা পানিতে উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের শেখপুরা, সাগরদাঁড়ি এবং বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের আওয়ালগাতি ও নেহালপুর গ্রাম প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে।এর ফলে প্রায় ৪শ` পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এলাকায় পয়নিষ্কাশনসহ বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে জলাবদ্ধ এলাকায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে।এদিকে গত মঙ্গলবার রাতে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় জলাবদ্ধ এলাকায় মানুষের জীবন হয়ে পড়েছে আরো দুর্বিষহ। এছাড়া নুতন করে প্লাবিত হয়েছে কপোতাক্ষ নদীর অববাহিকার মহাদেবপুর গ্রাম।আওয়ালগাতি গ্রামের কৃষক সাইফুল বলেন, গ্রামের শেখপাড়ায় বর্তমানে কোমর সমান পানি হয়েছে। গ্রামবাসীর কাঁচা বাড়িও ধসে পড়তে শুরু করেছে।বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট চলছে। ভেঙ্গে পড়েছে পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা। এভাবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।সাগরদাঁড়ি ইক্ষুনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত্ হোসেন বলেন, গত ২ দিনের বৃষ্টিতে আমার ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চলের গ্রামগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, জলাবদ্ধ ডায়রিয়া প্রকোপ এলাকায় মেডিক্যাল টিমকে সার্বক্ষণিক কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বিপুল কুমার মালাকার বলেন, এখনো কোন ত্রাণসামগ্রী পাওয়া যায়নি।
তবে জলাবদ্ধ এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের ক্ষয়-ক্ষতির তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মনজুর আলম বলেন, জলাবদ্ধ এলাকার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।