আন্তর্জাতিক হটনিউজ স্পেশাল

পূজা দিতে গিয়ে ‘আদালত অবমাননা’ করেছেন সৃজিত-মিথিলা!

হটনিউজ ডেস্ক:

কলকাতায় এবারের পূজামণ্ডপে ‘প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত’ তথা ‘নো এন্ট্রি জোনে’ প্রবেশ সর্বসাধারণের জন্য ‘নিষিদ্ধ’। স্বয়ং পশ্চিমবঙ্গের আদালতই এই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই নো এন্ট্রি জোন তথা ‘নিষিদ্ধ’ জোনে প্রবেশ আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে চলচ্চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং তার স্ত্রী রাফায়েত রশিদ মিথিলার বিরুদ্ধে। এতে আইনি বেড়াজালে পড়তে পারেন আলোচিত এ দম্পতি।

একই দায়ে অভিযুক্ত কলকাতার আরেক অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান এবং সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে নিউ আলিপুরের সুরুচি সংঘের পূজায় অঞ্জলি দিতে যান নুসরাত, সৃজিত, মিথিলা। ছিলেন নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈনও। ওই পূজাটি মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পূজা বলেই পরিচিত। প্রতিবারই সেখানে বিভিন্ন তারকারা যান অঞ্জলি দিতে এবং ঢাকের তালে নাচেন। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি আলাদা। করোনা কারণে কলকাতার হাইকোর্ট সমস্ত পূজামণ্ডপ ‘দর্শকশূন্য’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

বলা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা এবং পূজার উদ্যোক্তা ছাড়া কেউ ‘নো এন্ট্রি জোনে’ ঢুকতে পারবেন না। তাদের সংখ্যাও বেঁধে দেয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, ‘বহিরাগত দর্শকদের’ প্রবেশ নিষিদ্ধ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সৃজিত-মিথিলারা অঞ্জলি দিয়েছেন হাইকোর্ট নির্ধারিত মণ্ডপের ‘নো এন্ট্রি জোনে’। সেখান থেকেই জন্ম হয়েছে বিতর্কের। কারণ, কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন, মণ্ডপের চারদিকে ব্যারিকেড করে তৈরি করতে হবে ‘নো এন্ট্রি জোন’। সেই ‘নিষিদ্ধ’ এলাকায় পূজার উপাচারের প্রয়োজনে উদ্যোক্তাদের তরফে আদালতের ঠিক করে দেয়া সংখ্যার কয়েকজন ঢুকতে পারবেন বলে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আদালতের ‘নির্দেশ’ ভেঙে সৃজিত-মিথিলারা ওই মণ্ডপে ভিড় করার ঘটনাকে আদালতে ‘হাতিয়ার’ করতে চলেছেন পূজা মামলার আইনজীবীরা। মামলার আবেদনকারীর আইনজীবীদের বক্তব্য স্পষ্ট— আদালতের নির্দেশ সকলের জন্যই প্রযোজ্য।