বরিশাল হটনিউজ স্পেশাল

হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ সড়ক অবরোধ

kalapara-02 (24-08-13) 02নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ২৪ আগস্ট:পর্যটন এলাকায় সরকারের পরিকল্পনা মৎস বন্দর মহিপুরকে থানায় উন্নীতে কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে শনিবার দুপুরে হাজার হাজার মানুষ সড়ক অবরোধ শেষে উম্মুক্ত স্থানে সাংবাদিক সম্মেলন করে। নির্মাণাধীন শেখ রাসেল সেতুর নিচে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন থানা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যক্ষ কালিম মোহাম্মদ।
তিনি লিখিত বক্তব্য বলেন, ১৯৭৩ সালের ২২ ডিসেম্বর পটুয়াখালীর এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহিপুরকে প্রশাসনিক থানায় রুপান্তরিত করার ঘোষনা দেন। ওই জনসভায় তালতলী ও রাঙ্গাবালীকে থানা করার ঘোষনা দেয়া হয়। ইতোমধ্যে তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমান সরকার তালতলী ও রাঙ্গাবালীকে থানার পরে উপজেলায় রুপান্তরিত করেছে। স্বাধীনতার ৪২ বছর পরও দেশের সর্ববৃহৎ মৎস্য বন্দর মহিপুরকে থানায় উন্নীত করা হয়নি। তারা জাতির জনকের অপূর্ণ স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার জন্য তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সাংবাদিক সম্মেলনে জোর দাবি জানান। সম্মেলনে মহিপুরে থানা বাস্তবায়ন করার জন্য যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন এখানে থানা স্থাপনের জন্য সকল ধরনের সুবিধা রয়েছে। এসময় অনান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান হাওলাদার, আলিপুর- মহিপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদক নিমাই চন্দ্র দাস, মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আব্দুল জলিল হাওলাদার, ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি আবুল বাশার পঞ্চায়েত প্রমুখ। বক্তারা বলেন মৎস বন্দরে প্রতিমাসে শত কোটি টাকার লেনদেন হয়। মহিপুরে থানা স্থাপনের প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসাবে পুলিশি তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এখন সরকারের পর্যটন এলাকার ধারাবাহিক উন্নয়ন ব্যাহত করতে কুয়াকাটা পৌর এলাকার একটি স্বার্থান্বেষী মহল হঠাৎ করে আন্দোলনে নেমেছে। প্রশ্ন রেখে বক্তারা বলেন, যারা কুয়াকাটাকে পৌরসভায় উন্নীতের দেড় বছর পরেও পৌর ভবনের জায়গা নির্ধারণ করতে পারেন নি। এখন পর্যন্ত পৌরসভার সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন নি। তারা কীভাবে পর্যটনের প্রকৃত উন্নয়ন চান তা নিয়েও বক্তারা সংশয় প্রকাশ করেন। উল্টো শিববাড়িয়া নদীতে শেখ রাসেল সেতুর আলীপুর অংশের সংযোগ সড়কের কাজকে বাধাগ্রস্থ করা হয়েছে। নইলে এই সেতু এখন চলাচলের জন্য বর্তমান সরকার উদ্বোধন করতে পারত বলেও বক্তারা দাবি করেন। এসময় মহিপুরের সকল দোকানপাট বন্ধ থাকে।