জাতীয় হটনিউজ স্পেশাল

বেনাপোলে আটকে আছে চারশ থেকে পাঁচশ রপ্তানি পণ্যবোঝাই ট্রাক

হটনিউজ ডেস্ক:

করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়। তবে ভারত একতরফাভাবে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি করলেও বাংলাদেশের পণ্য তারা গ্রহণ করছে না। সীমান্তের স্থলবন্দরগুলো দিয়ে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশে বাধা দিচ্ছে ভারত। বাংলাদেশি পণ্য নিতে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা।

গত ৩ জুলাই ঢাকা থেকে দিল্লিতে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব শুরুর পরপরই গত মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত বেনাপোল, ভোমরা, তামাবিল, হিলিসহ বিভিন্ন স্থলবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। গত জুনে বেনাপোলসহ কয়েকটি স্থলবন্দরে কার্যক্রম শুরুর পর ভারত থেকে আমদানি পণ্য বাংলাদেশে অবাধে প্রবেশের সুযোগ পেলেও বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্য ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। স্থলবন্দরে এ ধরনের একপেশে বাণিজ্যিক আচরণ বৈষম্যমূলক এবং এর ফলে বাংলাদেশের বাণিজ্য বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘প্রায় তিন মাস বাইলেটারাল বাণিজ্য স্থগিত ছিল। গত জুন মাসে এটা উভয় দেশের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে শুরু হয়। ভারত আমাদের দেশে পণ্য পাঠাচ্ছে। কিন্তু আমাদের পণ্য নিচ্ছে না। আমরা এটা নিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। আমরা এ বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে সমাধান করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লিকে চিঠি লিখেছে।’

এদিকে, বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ থাকার পর গত ৭ জুন বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য চালু হলেও বাংলাদেশি পণ্য গ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করে ভারত। ভারত সরকার ও সে দেশের ব্যবসায়ীরা ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্য ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, ভারত তাদের পণ্য দিলেও বাংলাদেশি পণ্য গ্রহণ করছে না। এতে বেনাপোল বন্দর এলাকায় চারশ থেকে পাঁচশ রপ্তানি পণ্যবোঝাই ট্রাক আটকে আছে।