রংপুর হটনিউজ স্পেশাল

আজও সাক্ষ্য দিচ্ছেন ফেলানীর বাবা-মামা

downloadডাঃজি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃভারতে বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে কিশোরী ফেলানী হত্যা মামলায় আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনেও সাক্ষ্য দিচ্ছেন বাবা নুর ইসলাম ও মামা আব্দুল হানিফ। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত বিশেষ আদালতের কার্যক্রম চলবে। গত সোমবার তাদের সাক্ষ্য গ্রহন শুরু হয়।সাক্ষ্য গ্রহনের প্রথমদিন জেরা এবং জবানবন্দি গ্রহন করেন ভারতের ডিফেন্স অফিসার মিস্টার সিন্ধু। তাকে সহযোগীতা করেন এসোসিয়েট অ্যাডভোকেট মি: আনন্দ জ্যোতি মজুমদার। বিএসএফ’র পক্ষে শুনানিতে অংশ নেয় ভারতের পাবলিক প্রসিকিউটর বিপিন কুমার। বাংলাদেশী স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য গ্রহনের আগে ভারতীয় ৬ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করেছে বিএসএফ’র বিশেষ আদালত।৫সদস্যের বিচারক মন্ডলির সভাপতিত্ব করেন ডিআইজি সিপি ত্রিবেদী। এ সময় অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।বিচার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন কুড়িগ্রাম ৪৫ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল জিয়াউল হক খালেদ এবং কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন।বিএসএফ আইনের ৪৬ ও ৪৭ ধারায় আনিত অভিযোগ প্রমানিত হলে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৪ ধারায় (অনিচ্ছাকুত খুন) সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন এবং সর্বনি¤œ ৭ বছর কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।বিচারিক কার্যক্রম শেষে বিএসএফ’র আইন অনুযায়ী মামলার রায় চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য কলকাতাস্থ বিএসএফ’র ডিজি(পুর্ব)বি. ডি শর্মার কাছে পাঠানো হবে।২০১১ সালের ৭ জানুয়ারী বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী ভারত থেকে বাবার সাথে কুড়িগ্রামে আসার পথে অনন্তপুর সীমান্তে কাটাতারের বেড়ায় বিএসএফ’র গুলিতে নিহত হয়। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা ফেলানীর লাশ কাটাতারে ঝুলে থাকার ছবি সংবলিত সংবাদটি দেশী-বিদেশী বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে প্রকাশিত হয়। হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবী ওঠে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে। এরই প্রেক্ষিতে অবশেষে দীর্ঘ আড়াউ বছর পর ভারতের কোচবিহারে গত ১৩ আগষ্ট থেকে কোচবিহারে ১৮১বিএসএফ’র সদর দপ্তরে কঠোর গোপনীয়তায় বিচার কাজ চলছে।