অপরাধ ঢাকা প্রধান খবর

বিসমিল্লাহ গ্রুপের দুর্নীতি, দুদকের ডাকে সাড়া দিলেন না দুই এমপি পুত্র

bismillah-group-2020130820034100নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা, ২০ আগস্ট: বিসমিল্লাহ গ্রুপের দুর্নীতির অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরীর কাজ প্রায় শেষের দিকে। এ পর্যায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিসমিললাহ গ্রুপের বেতনভোগী দুই পরিচালক সরকার দলীয় দুই সংসদ সদস্যের দুই ছেলেকে তলব করা হলেও দুদকের ডাকে সাড়া দেননি তারা।বিসমিল্লাহ গ্রুপের দুর্নীতির সাথে দুই এমপির এই দুই ছেলের জড়িয়ে থাকার বিষয়টি দীর্ঘ দিন থেকে আলোচনায় রয়েছে। অবশেষে দুদক তা আমলে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ১৩ আগষ্ট তাদের নোটিশ পাঠায়।সোমবার (১৯ আগষ্ট) তাদের সেগুন বাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা দুদকের ডাকে সারা দেননি।দুদকের ডাক পাওয়া দুই এমপির দুই পুত্র হলেন, গাজীপুরের সংসদ সদস্য অ্যডভোকেট রহমত আলীর ছেলে অ্যাডভোকেট জামিল হাসান দুর্জয় ও কুমিল্লার সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভুঁইয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী।দুদক সূত্র জানায়, দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে বিসমিললাহ গ্রুপের বিভিন্ন পর্যায়ের ও শীর্ষ ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে সরকারি দলের দুই সংসদ সদস্যের ছেলের নাম আসে।আর তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়িই এবার দুই এমপি পুত্রকে তলব করেছে দুদক। ওই দুই এমপি পুত্র বিসমিল্লাহ গ্রুপের বেতনভূগী পরিচালক ছিলেন।জানা যায়, টেরিটাওয়েল (তোয়ালে জাতীয় পণ্য) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ গ্রুপ ভূয়া-কাগজপত্র ও জালিয়াতির মাধ্যমে দেশের ছয়টি ব্যাংক থেকে প্রায় ১২০০কোটি টাকা ঋণের নামে আত্মসাত করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে বিসমিল্লাহ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নওরীন হাসিব বিদেশে পালিয়ে যান। এ ঘটনা অনুসন্ধানে ২৬ ফেব্রুয়ারি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দুদক। ওই টিমের নেতৃত্বে রয়েছেন উপ-পরিচালক সৈয়দ ইকবাল। অপর সদস্যরা হলেন, সহকারি পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম, গুলশান আনোয়ার প্রধান, সহকারি উপ-পরিচালক সরদার মঞ্জুর আহমেদ এবং মো. আল আমিন।