জাতীয় প্রধান খবর সারাদেশ

দ্বিতীয় পর্যায়ে সাড়ে ৫ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ফারুক খান এমপি নির্বাচনী এলাকায়

কাজী ওহিদ, মুকসুদপুর ( গোপালগঞ্জ) থেকেঃ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে খাদ্য সহায়তা হিসেবে গত মঙ্গলবার ও বুধবার দুইদিন ব্যাপী মুকসুূদপুর উপজেলার মুকসুদপুর পৌরসভা ও ১৬ টি ইউনিয়নে কর্মহীন ও অসহায় পরিবারের মাঝে স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দদের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী বাড়ি বাড়ি পৌছিয়ে দেয়া হয়েছে।

মুহাম্মদ ফারুক খান এমপির কন্যা ও সুচিন্তা বাংলাদেশের যুগ্ম সম্পাদক কানতারা খানের দিকনির্দেশনায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যত্রুমের উদ্ভোধন করেন মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র এ্যাড. মো. আতিকুর রহমান মিয়া ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রবিউল আলম সিকদার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান টুটুল, এম, মহিউদ্দিন মুক্তু মুন্সী, সিরাজুল ইসলাম, ত্রান ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হায়দার হোসেন, প্রচার সম্পাদক জাহিদুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাফিজুর রহমান লেবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও বর্তমান সদস্য সাংবাদিক কাজী মো.ওহিদুল ইসলাম, মুকসুদপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান মোল্লা,পশারগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল কুমার দে,সাধারণ সম্পাদক কাজী মজিবুর রহমান এবং স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া গতকাল ২২ এপ্রিল বুধবার কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি মহোদয়ের পক্ষ থেকে অনুরুপভাবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মুকসুদপুর উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়নে ৩ হাজার ৮০০ এবং কাশিয়ানী উপজেলা ৭টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৫০০ পরিবার মোট ২টি উপজেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫ হাজার ৩০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস কারনে মুকসুদপুর কাশিয়ানী উপজেলা লকডাইন শুরুতে জনাব মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রথম পর্যায়ে সাড়ে ৩ হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন।

এছাড়াও তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় করোনা ভাইরাস ছড়াতে না পারে সেজন্য ১টি পৌর সভা ও ২৩টি ইউনিয়নের প্রত্যেক ইউনিয়নে শুরু থেকেই একজন ডাক্তার ও একজন ট্যাগ অফিসার সার্বিকক্ষন দায়িত্বে নিয়োজিত রেখেছেন বলে জানা যায়।