জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর সাহিত্য

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৬৪তম জন্মদিন

Aldin-sm20130817134642শানজানা জামান, জাবি করেসপন্ডেন্ট,হটনিউজ২৪বিডি.কম ,ঢাকা:  ১৮ আগস্ট রোববার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও রবীন্দ্রোত্তর কালের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার আচার্য সেলিম আল দীনের ৬৪তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালের এই দিনে ফেনীর সোনাগাজী থানার সেনেরখিল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে সেলিম আল দীন ফাউন্ডেশন দুদিন ব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এছাড়া জাবির নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগসহ বিভিন্ন নাট্য সংগঠন সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী পালন করবে।

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন বাংলা নাটকে যুক্ত করে গেছেন স্বকীয়ধারা। পশ্চিমা নাট্য-আঙ্গিককে অস্বীকার করে হাজার বছরের দেশীয় ঐতিহ্য নিয়ে তিনি কাজ করেছেন। বাংলা নাটকে যোগ করে গেছেন মহাকাব্যিক বর্ণনাধর্মী রীতি।

স্কুল জীবনেই সেলিম আল দীনের পড়া হয়ে যায় বাংলাসাহিত্যের প্রধান প্রধান কবি-সাহিত্যিকদের রচনা। এভাবে একটু একটু করে তৈরি হতে থাকে একজন শিল্পীর সৃজনশীল মনন। মধুসূদন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, সুকান্ত, জীবনানন্দ দাশের কবিতা পড়ে বিমুগ্ধ তরুণ সেলিম আল দীন কবিতার মাধ্যমেই আত্মপ্রকাশ করতে চাইলেন প্রথমে। কিন্তু কিছুতেই কবিতার ভাষাটি আয়ত্তে আসছিল না তার। এই বেদনা তাকে তাড়িয়ে ফেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকার সময়েও। সাহিত্যের কোন শাখাকে পথচলার মাধ্যম হিসেবে বেছে নেবেন, এই টানাপোড়েনের মধ্যেই তার নাটক লেখা শুরু।

সহপাঠী বন্ধুদের চাপে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃহল নাট্য প্রতিযোগিতার জন্য প্রথম নাটক লেখেন। নাটকই হয়ে ওঠে তার পথ চলার প্রধান বাহন।

১৯৭৩ সালে ঢাকা থিয়েটার প্রতিষ্ঠার পর নাটক লেখার ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সেলিম আল দীন নিজস্ব এক নাট্যরীতির অনুসন্ধান চালিয়ে যান। প্রসেনিয়ামের গণ্ডিতে বাঁধা ইউরোপিয়ান নাট্য-আঙ্গিক তিনি পরিত্যাগ করেন। খুঁজে বের করলেন বাংলা নাটকের হাজার বছরের পুরনো শিল্পরীতিকে। এ নাট্যরীতি আমাদের একেবারেই নিজস্ব। ছোটগল্প, উপন্যাস বা প্রবন্ধের মতো পাশ্চাত্যের প্রেরণাতাড়িত বিষয় নয়। লুঙ্গিনুসের ‘অন সাবলাইম’ আর পিটার ব্রুকের ‘দ্য এম্পটি স্পেস’-এর মতো তত্ত্বগুলোর সঙ্গে তিনি সমন্বয় করতে চাইলেন প্রাচ্যের নান্দনিকতার। ভারতীয় নাট্যশাস্ত্রের নির্যাস ও বাংলা ভাষার মধ্যযুগের সাহিত্যরীতি থেকে পাওয়া শিল্প উদ্দীপনাগুলো, এমনকি শব্দপ্রতিমাকে নতুন করে জাগিয়ে তুললেন নিজের সৃষ্টিকর্মে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করার পর সেলিম আল দীনের উদ্যোগেই ১৯৮৬ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘নাটক ও নাট্যতত্ত্ব’ বিভাগ। একদিকে শিক্ষকতার দায়িত্ব, অন্যদিকে লেখালেখি। পাশাপাশি চালিয়ে যান আবহমান বাংলার লোকজরীতির অনুসন্ধান। গ্রাম থিয়েটারের হয়ে বাংলাদেশের নানা প্রান্তে ছুটেছেন লোক-নাট্যরীতির সন্ধানে। নিজের নাটকে সেসব প্রয়োগ করে বদলে দেন বাংলানাট্যের ধারা। আশির দশকের মাঝমাঝি সময় থেকে তিনি গান লেখা শুরু করেন। নাটকের গান তো ছিলই। পাশাপাশি আরও অনেক গান লিখেছিলেন। তিনি গানকে বলতেন ‘কথাসুর’। টিভির জন্যও তিনি লিখেছেন বহু নাটক। সেলিম আল দীনের লেখা ‘কীত্তনখোলা’ ও ‘চাকা’ নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্র।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন উৎসব আয়োজনে যার অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি তিনি হচ্ছেন সেলিম আল দীন। বিভিন্ন উৎসবের মূল বাণী ঠিক করে দেওয়া, অনুষ্ঠানের আমেজ অনুযায়ী গান তৈরি করে দেওয়া সবই করতেন। সেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মাটিতেই অনন্তকালের জন্য ঘুমিয়ে আছেন। ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি বাংলা নাটকের অবিসংবাদিত পুরুষ সেলিম আল দীন অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় যেদিন তিনি মারা যান, দেশের পুরো সংস্কৃতি অঙ্গন সেদিন শোকে স্তব্ধ হয়ে যায়।

সেলিম আল দীনের প্রথম লেখাপড়ার শুরু হয় আখাউড়ায় গৃহশিক্ষকের কাছে। কিছুদিন পর সেনেরখিল প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হন এবং সেখানে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েন। তারপর মৌলভীবাজার বড়লেখার সিংহগ্রাম হাইস্কুল, কুড়িগ্রামের উলিপুরে মহারাণী স্বর্ণময়ী প্রাইমারি স্কুল এবং রংপুর ও লালমনিরহাটের স্কুলে পড়েন। পরে নিজ গ্রাম সেনেরখিলের মঙ্গলকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন এবং এই স্কুল থেকেই মাধ্যমিক পাস করেন ১৯৬৪ সালে। ফেনী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন ১৯৬৬ সালে। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেন। টাঙ্গাইলের সাদত কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি করেন। এরপর ১৯৯৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপনি সংস্থা বিটপিতে কপি রাইটার হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করলেও পরে সারাজীবন শিক্ষকতাই করেছেন। ১৯৭৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং আমৃত্যু এই বিশ্ববিদ্যালয়েই ছিলেন। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।

সেলিম আল দীনের লেখা নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘সর্পবিষয়ক গল্প ও অন্যান্য নাটক’ (১৯৭৩), ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ (১৯৭৫), ‘বাসন’ (১৯৮৫) ‘মুনতাসির’, ‘শকুন্তলা’, ‘কীত্তনখোলা’ (১৯৮৬), ‘কেরামতমঙ্গল’ (১৯৮৮), ‘যৈবতী কন্যার মন’ (১৯৯৩), ‘চাকা’ (১৯৯১), ‘হরগজ’ (১৯৯২), ‘প্রাচ্য’ (২০০০), ‘হাতহদাই’ (১৯৯৭), ‘নিমজ্জন’ (২০০২), ‘ধাবমান’, ‘স্বর্ণবোয়াল’ (২০০৭), ‘পুত্র’, ‘স্বপ্ন রমণীগণ’ ও ‘ঊষা উৎসব’।

রেডিও ও টেলিভিশন প্রচারিত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘বিপরীত তমসায়’ (রেডিও পাকিস্তান, ১৯৬৯), ‘ঘুম নেই’ (পাকিস্তান টেলিভিশন, ১৯৭০), ‘রক্তের আঙ্গুরলতা’ (রেডিও বাংলাদেশ ও বিটিভি), ‘অশ্রুত গান্ধার’ (বিটিভি, ১৯৭৫), ‘শেকড় কাঁদে জলকণার জন্য’ (বিটিভি ১৯৭৭), ‘ভাঙনের শব্দ শুনি’ (আয়না সিরিজ, বিটিভি ১৯৮২-৮৩), ‘গ্রন্থিকগণ কহে’ (বিটিভি ১৯৯০-৯১), ‘ছায়া শিকারী’ (বিটিভি ১৯৯৪-৯৫), ‘রঙের মানুষ’ (এনটিভি ২০০০-২০০৩), ‘নকশীপাড়ের মানুষেরা’ (এনটিভি, ২০০০), ‘কীত্তনখোলা’ (আকাশবাণী কোলকাতা, ১৯৮৫)।

গবেষণাধর্মী নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘মহুয়া’ (ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে, ১৯৯০), ‘দেওয়ানা মদিনা’ (ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে, ১৯৯২), ‘একটি মারমা রুপকথা’ (১৯৯৩), ‘কাঁদো নদী কাঁদো’, ‘মেঘনাদ বধ’ (অভিষেক নামপর্ব)।

এছাড়া ১৯৯৪ সালে ‘চাকা’ নাটক থেকে এবং ২০০০ সালে ‘কীর্ত্তনখোলা’ নাটক থেকে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। ‘একাত্তরের যীশু’ চলচিত্রের সংলাপ রচনা করেন ১৯৯৪ সালে।

সেলিম আল দীনের জাতীয়-আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননাগুলো হলো, বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৪), ঋষিজ কর্তৃক প্রদত্ত সংবর্ধনা (১৯৮৫), কথক সাহিত্য পুরস্কার (১৩৯০ বঙ্গাব্দ), একুশে পদক (২০০৭), জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার (১৯৯৩), অন্য থিয়েটার (কলকাতা কর্তৃক প্রদত্ত সংবর্ধনা), নান্দিকার পুরস্কার (আকাদেমি মঞ্চ কলকাতা ১৯৯৪), শ্রেষ্ঠ টেলিভিশন নাট্যকার (১৯৯৪), খালেকদাদ সাহিত্য পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৯৪), মুনীর চৌধুরী সম্মাননা (২০০৫)।

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৬৪তম জন্মদিন উপলক্ষে সেলিম আল দীন ফাউন্ডেশন ১৭ ও ১৮ আগস্ট দু’দিনব্যাপী সেলিম আল দীন উৎসবের আয়োজন করেছে।

১৭ আগস্ট বিকেল ৩টায় শিল্পকলা একাডেমীর সেমিনার কক্ষে রয়েছে সেমিনার। ‘নিমজ্জন: একটি থিয়েটার ইন্সটেলেসন আর্ট’, বাংলা নাটকে ঢাকা থিয়েটারের আভাঁ-গাড আন্দোলনের পরীক্ষণ’ শিরোনামে প্রবন্ধ পাঠ করবেন মাসউদ ইমরান। সভাপতি হিসাবে থাকবেন শিল্পসমালোচক মফিদুল হক। সন্ধ্যা ৭টায় রয়েছে নাটক ‘চাকা’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের পরিবেশনায় নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী।

১৮ আগস্ট সকাল ১০টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সেলিম আল দীনের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালায়র মূল হলে মঞ্চায়ন হবে নাটক ‘ধাবমান’। ঢাকা থিয়েটারের পরিবেশনায় নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন শিমূল ইউসুফ।

অন্যদিকে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল-এর উদ্যোগে ১৭ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে দুইদিন ব্যাপী ‘নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন জন্মোৎসব ২০১৩’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীতে আয়োজিত এবারের উৎসবের স্লোগান ‘আত্মশক্তির জিয়নপরশে কালঘুম নাশে, দ্বিধা হলো লীন, নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন’।

দুইদিনের এ উৎসবে প্রথমদিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শিল্পকলা একাডেমীর স্টুডিও থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হবে তাঁর জীবন-কর্ম-দর্শন এবং সঙ্গীত-কোরিওগ্রাফি উপস্থাপন। উৎসব উদ্বোধন করবেন সেলিম আল দীনের আজন্ম-শিল্পসঙ্গী নাট্যব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও থাকবেন এস এম মহসীন, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কেরামত মওলা, সেলিম আল দীন-এর সহধর্মিণী বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা, জাবির নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান খায়েরুজ্জাহান মিতু, ঢাবি নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের উদ্দেশ্যে নিবেদিত এবং আলোচনার মাধ্যমে এ উৎসবের উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সন্ধ্যা সাতটায় সেলিম আল দীনের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা অবলম্বনে স্বপ্নদল প্রযোজনা ‘ফেস্টুনে লেখা স্মৃতি’-র মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। এর নাট্যরূপ দিয়েছেন জাহারাবী রিপন, নির্দেশনা উপদেষ্টা জাহিদ রিপন এবং নির্দেশনা দিয়েছেন সামাদ ভূঞা ও রওনক লাবণী।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১৮ আগস্ট থাকবে সকাল আটটায় জাতীয় নাট্যশালা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে উৎসব-শোভাযাত্রা সহকারে সেলিম আল দীনের সমাধিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ। এরপর বিকাল সাড়ে তিনটায় শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে ‘নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন: নবীন নাট্যকারের দৃষ্টিতে’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনার।

মঞ্চসারথি আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে এতে সেলিম আল দীনের নাট্যকীর্তি সম্পর্কে অভিমত উপস্থাপন করবেন প্রতিশ্রুতিশীল নাট্যকার গোলাম শফিক, জাহারাবী রিপন, আকতারুজ্জামান, রুমা মোদক, সাইমন জাকারিয়া, সাধনা আহমেদ, সামিনা লুৎফা নিত্রা, আনন জামান, অপূর্ব কুমার, শাহমান মৈশান প্রমুখ।

আলোচনার উপসংহার করবেন নাট্যজন নাসির উদ্দিন ইউসুফ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা সেলিম, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সেক্রেটারি জেনারেল ঝুনা চৌধুরী প্রমুখ।

উৎসবের সর্বশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটারে স্বপ্নদল প্রযোজনা জাহিদ রিপনের নির্দেশনায় সেলিম আল দীনের কালজয়ী সৃষ্টি ‘হরগজ’-এর মঞ্চায়ন। উৎসবের সকল আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।