আন্তর্জাতিক ঢাকা

দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচ খেলতে শ্রীলংকার অস্বীকৃতি

1376749720.হটনিউজ স্পোর্টস ডেস্ক : সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচ খেলা নিয়ে পাকিস্তানের অনুরোধকে নাকচ করে দিয়েছে শ্রীলংকা। এ সম্পর্কে শ্রীলংকা ক্রিকেট জানিয়েছেন তারা দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচ না খেলার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেহেতু জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা ফ্লাড লাইটের আলোতে এবং গোলাপী বলে টেস্ট ম্যাচ খেলে অভ্যস্ত নয় তাই তারা পাকিস্তানের বিপক্ষে রাতে কোন টেস্ট ম্যাচ খেলতে চাচ্ছে না।

টি২০ এবং ওয়ানডে ক্রিকেটের আধুনিকতার ছোঁয়ায় ঐতিহ্যবাহী টেস্ট ক্রিকেটকে আরো জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচের প্রচলন শুরু করে আইসিসি। বিভিন্ন দেশে টেস্ট ম্যাচের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়াই এর মূল কারণ। তারই ধারাবাহিকতায় এই ধরনের টেস্টে এমন একটি বল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যা দিন এবং রাত উভয় সময়েই স্পষ্টভাবে খেলোয়াড়রা দেখতে পারে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানিয়েছে তারা ইতোমধ্যেই পরীক্ষার জন্য বেশ কিছু গোলাপী ও কমলা রঙের বল শ্রীলংকান বোর্ডের কাছে পাঠিয়েছে।

আরবের মাটিতে উভয় দেশেরই অসংখ্য ক্রিকেট ভক্ত রয়েছে। বিশেষ করে সেখানে বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানি অভিবাসীর বসবাস। কিন্তু টেস্ট ম্যাচের সময় খুব কম মানুষই তা উপভোগ করতে মাঠে উপস্থিত হয়। দিনের বেলা মূলত তারা কাজে ব্যস্ত থাকায় টেস্ট ম্যাচ দেখতে পারে না। এখনো কোন দেশে আইসিসি’র নতুন এই টেস্ট ফরম্যাট চালু হয়নি। আইসিসি প্রতিটি দেশের বোর্ডের কাছেই এরপরীক্ষা নিরীক্ষা করার দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে।

২০০৯ সালের লাহোরে শ্রীলংকান খেলোয়াড়দের বহনকারী বাসে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে পাকিস্তানে কোন ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে আইসিসি। তারপর থেকেই নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাতকে তাদের হোম ভেন্যু হিসেবে বেছে নেয়। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে পাকিস্তান শ্রীলংকার বিপক্ষে তিনটি টেস্ট, পাঁচটি ওয়ানডে এবং দুটি টোয়েন্ট২০ ম্যাচ খেলবে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর দুবাইতে প্রথম টেস্ট শুরু হবে। ৮-১২ জানুয়ারি আবু ধাবীতে দ্বিতীয় টেস্ট এবং ১৬-২০ জানুয়ারি শারজায় তৃতীয় টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে।