অপরাধ ঢাকা রাজনীতি

শেরপুরে ১৩২ জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা

শেরপুর থেকে শাহরিয়ার আহম্মেদ শাকির: শেরপুর জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেলকে গ্রেপ্তার করায় শেরপুরে ছাত্রদল-পুলিশ সংঘর্ষের পর ১৭ আগষ্ট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক আশীষ ও বিএনপি নেতা হযরত আলীসহ ১ শ ৩২ জনকে বিবাদী করে পৃথক দুটি মামলা দিয়েছে পুলিশ।sherpur-bg20130314064705পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, শেরপুর জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকায় তাকে ১৬ আগষ্ট সন্ধ্যায় রঘুনাথ বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাসেলকে গ্রেপ্তারের জের ধরে শহরে বিক্ষোভ করে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল কর্মীরা। এসময় ১০টি গাড়ী ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে কমপক্ষে ৪ গাড়ী চালক আহত হয়। পুলিশ ৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পুলিশ মিরাজ উদ্দিন রাজন ও বিপুল তালুকদার নামে ২ ছাত্রদল কর্মীকে আটক করে। পরে ১৭ আগষ্ট পুলিশ বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় দ্রুত বিচার আইনে ও পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে অপর একটি মামলা করে। উভয় মামলায়ই জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক আশীষ ও বিএনপি নেতা হযরত আলীসহ ৭২ জনের নাম উল্লেখ এবং আরো অজ্ঞাতনামা ৬০ জনকে বিবাদী করা হয়। শেরপুর এ এস পি সার্কেল সালাউদ্দিন শিকদার মামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গ্রেপ্তারী পরেয়ানাভূক্ত আসামী হিসেবেই রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। অথচ ছাত্রদল কর্মীরা গাড়ী ভাংচুর, অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটিয়ে। কাজেই পুলিশ অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অপরদিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, পুলিশ ১৭ আগষ্টের কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাদের সাংগঠনিক সফরকে বাঞ্চাল করার জন্যই জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেলকে গ্রেপ্তার করেছে। হামলা ভাংচুরের ঘটনায় ছাত্রদলের কর্মীরা ঘটায়নি। বরং বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ফাঁসানোর জন্য সরকারী দলের দালালরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। যা এর আগেও অনেকবার ঘটানো হয়েছে।