অপরাধ ঢাকা

মাদক বিক্রির হিড়িক, মুন্সিগঞ্জ শহর ও চরাঞ্চলে

marijuwanaআব্দুস সালাম, মুন্সিগঞ্জ:মুন্সিগঞ্জ শহর ওচরাঞ্চলে ঈদের পর থেকে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির অভিযোগ করেছে শহরও চরাঞ্চলের একাধিক সাধারন জনগন। সেই সাথে মুন্সিগঞ্জ সদরথানা পুলিশের গ্রেফতার বানিজ্যে সাধারন জনগন দিশেহারা হয়ে পড়েছে।গত সোমবার চরাঞ্চলের কালিরচর গ্রামের মাহুমুদ চোরের ছেলে চোরা জসিম কে অস্ত্র সহ জনতা আটক করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ কালির চর না গিয়ে টাকার বিনিময়ে বাংলাবাজার থেকে ফিরে এসেছে বলে অভিযোগ করেছে কালির চরের একাধিক ব্যাক্তি। ঈদের পরের দিন থেকে মাদকের শহর ছিল মুন্সিগঞ্জ। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ থেকে একজন কনোষ্টবল পর্যন্ত সবাই ঈদের আনন্দে ব্যাস্ত থাকার কারনে মাদক সেবি ওব্যাবসায়ীরা ঈদের মিলন মেলায় পরিনিত করেছে মুন্সীগঞ্জ শহরকে। এদিকে সরে জমিনঘুরে জানা গেছে শহরের একাধিক মাদক সেবি দৈনিক খবরপত্রকে জানায় বিগত ১০বছরে মুন্সিগঞ্জ শহরে এত মাদক বিক্রি করতে পারিনাই পুলিশের কোন তৎপরতা না থাকায় এবার আমাদেরজন্য ব্যাবসা সফল ঈদ বলা যায় এবারের ঈদকে। চরাঞ্চলের জসিম,রিংকু ইকবালমিজিওমমিন মিজি, রিপনদেওয়ান, তোফাজ্জল, এরমত সন্ত্রাসীরা ঈদের আগে গ্রেফতার না হওয়ায় কালিরচর মিজি কান্দি. দেওয়ানকান্দি, চরআব্দুল্লা, ফতুব্যাপারির কান্দি এই কয় গ্রামের সাধারন জনগন ঈদের আনন্দ থেকে বন্ঞ্চিতছিল বলে ওইএলাকার একাধিক নিরিহ সাধারন জনগন জানায়। মুন্সিগঞ্জ শহরে মাদক ওচাদা বাজি নিরবে চলছে ঈদের দুইদিন আগে থেকে ঈদের চারদিন পর পর্যন্ত। মুন্সিগঞ্জ শহরের নয়াগাঁওএলাকার জাহিদ হোসেন ওরফে বাবা জাহিদ ঈদের আগে গ্রেফতার হলেও ঈদের কয়েকদিনআগে জেল থেকে ছারা পেয়ে মুন্সিগঞ্জ শহর তথা পঞ্চষাড় ইউনিয়নের ইয়াবার বাজার বসিয়েছেন বলে একাধিক ইয়াবা ব্যাবাসয়ী জানান। তবে ঈদ এবং ঈদের পরে প্রকাশ্যে কোন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ওমাদক ব্যাবসা না হলেও পুলিশের সহায়তায় নিরবে চলছে চাঁদা বাজি ও মাদক ব্যাবসা। ঈদের আগের দিন চরাঞ্চলের নম কান্দি গ্রামে আওয়ামীলীগ কর্মি দিলহোসেন ওতার ছেলের হামলায় সাংবাদিক বিমলচন্দ্র সহ তার ভাবি,মা ওবোন সহ আহত ৬জন । আহতের মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জ শহর ওচরাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদরথানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলামকে জিঙ্গাসা করলে তিনি কোন সদত্তর দিতে পারেনি। তবে সদরের সিনিয়ার সার্কেল কে মাঝে মাঝে আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি দেখছি বলে ফোন রেখে দিতেন।