জাতীয় ঢাকা প্রধান খবর রাজনীতি সারাদেশ

বঙ্গবন্ধু ছিলেন দূরদর্শী নেতা – এলজিআরডি মন্ত্রী

হটনিউজ ডেস্ক: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, রাজনীতির ক্ষেত্রে দুইজন দিকপাল বঙ্গবন্ধু ও তাঁর কন্যার হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন দূরদর্শী নেতা। জাতির পিতার পরিপূর্ণতা তাঁর কন্যার মধ্যে দেখা যায়।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘর প্রধান মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন – রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক এমপি, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুর রহমান পাটোয়ারী। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর উপর বিশেষ নিবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ প্রাণ গোপাল দত্ত।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য শেখ হাসিনা আত্মনিয়োগ করেছেন। তিনি একমাত্র রাষ্ট্রনায়ক যিনি দিনক্ষণ নির্ধারণ করে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গঠনে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি ২০২১ সালের আগে আমরা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু মাত্র তিন বছরে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে যে অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিলেন, পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রনায়ক তা পারেননি। একটি দেশের কাঠামো তৈরিতে যা প্রয়োজন তার সবই তিনি তৈরি করে দিয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা ও দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে সফল হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শীতার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু তেল-গ্যাসকে জাতীয় সম্পদে পরিণত করেছেন। গ্রামীণ উন্নয়নে বার্ডসহ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।রেলমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক বলেন, বাঙালী জাতিকে বিশ্বে চিনিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে তিনি স্বাধীনতাও এনে দিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হবে।