জাতীয় ঢাকা

নতুন নির্মিত কেটাইপ ফেরি “কলমি লতা”

Kolmilotaআব্দুস সালাম, মুন্সিগঞ্জ:দক্ষিণাঞ্চলের ২৩ জেলার হাজার হাজার মানুষের আসন্ন ঈদে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে যাত্রী সেবায় মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে যোগ হয়েছে নতুন নির্মিত কেটাইপ ফেরি “কলমি লতা”।রোববার বিকেল ৪টার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত খান ব্রাদার্স শিপইয়ার্ডের ডকইয়ার্ড থেকে রওনা হয় নতুন এ ফেরিটি। পরে সন্ধ্যায় মাওয়ায় গিয়ে পৌঁছায় বলে জানা গেছে।

খান ব্রাদাস শিপইয়ার্ডের জেনারেল ম্যানেজার হারুনুর রশীদ  জানান, বিকেল ৪টার দিকে সরকারি উদ্যোগে নতুন নির্মিত ‘কলমি লতা’ নামের একটি ফেরি গজারিয়ার মেঘনা নদীর তীর থেকে রওয়ানা হয়েছে। তিনি জানান, ‘কলমি লতা’ ফেরিটি মাওয়ায় পৌঁছাতে দুই ঘণ্টা লাগে। এছাড়া নতুন নির্মিত ‘কনক চাপাঁ’ নামের অপর একটি ফেরি আগামী দুই এক দিনের মধ্যে মাওয়ায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১২ সালে ‘কলমি লতা’ ও ‘কনক চাঁপা’ তৈরির দায়িত্ব দেয় সরকার। এতে দেড় বছরে মাথায় সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত হয়ে যায় ফেরি দু’টি। ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার চলার ক্ষমতা সম্পন্ন এ ফেরি দু’টি নির্মাণে প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে। আমেরিকার তৈরি এমটিইও ইঞ্জিন দ্বারা নির্মিত আধুনিক প্রযুক্তির সব সুবিধা রয়েছে এ দুটি কে-টাইপ ফেরি মধ্যে। প্রস্তুত শেষে গত ৩০ জুলাই মেঘনা নদীতে শেষ ট্রায়াল দেওয়া হয়।
বিআইডব্লিউটিসির মাওয়া কার্যালয়ের সহকারী মহা ব্যবস্থাপক এসএম আশিকুজ্জামান  জানান, ঈদে মানুষ ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি ও ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ কমাতে নতুন দুটি ফেরি মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তিনি আরও জানান, বর্তমানে নৌরুটে ১৬ ফেরি চলাচল করছে। শনিবার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড থেকে ‘টাপলো’ নামের একটি ফাট ফেরি মাওয়ার ফেরি বহরে যুক্ত হয়েছে। আর রোবরার যুক্ত হচ্ছে নতুন নিমর্তি কলমি লতা ফেরি। নতুন যুক্ত হওয়া এ দুইটি নিয়ে যোগ হওযার পর নৌরুটে ফেরির সংখ্যা এখন ১৭টি। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীদের পদ্মা পারাপারে কোনো সমস্যা হবে না। খান ব্রাদার্স শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল কবির খাঁন জানায়, কবে নাগাদ উদ্বোধন করা হবে তা এখনো জানা যায়নি।