অপরাধ জাতীয় ঢাকা

তারেক-মামুনের অর্থপাচার মামলা: পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১৩ আগস্ট

images (1)আদালত প্রতিবেদক :সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু ব্যবসায়ি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে পরবর্তি সাক্ষ্য গ্রহন আগামি ১৩ আগষ্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন এ আদেশ দেন। এই মামলায় ইতিমধ্যে আন্য যারা সাক্ষ্য দিয়েছেন তারা হলেন দুদকের উপপরিচালক তাহসিনুল হক, সোনালী ব্যাংকের ক্যান্টনমেন্ট শাখার সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ওমর ফারুক ভূঁইয়া, সোনালী ব্যাংক ক্যান্টনমেন্ট শাখার নির্বাহী কর্মকর্তা বিভূতিভূষণ সরকার, সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপক (ডিজিএম) নজরুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংক ক্যান্টনমেন্ট শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সৈয়দ এহসানুল হাফিজ, বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীম, মামলাটির রেকর্ডিং অফিসার হোসনে আরা বেগম, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেসটিগেশনের (এফবিআই) এজেন্ট মিস ডেবরা লেপরোভেট, বর্তমান ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর আলীমুজ্জামান, গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন, নির্মাণ কনস্ট্রাকশন কোম্পানির চেয়ারপারসন খাদিজা ইসলাম এবং পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ করিম।

গতকাল গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আর তারেককে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার চলছে বলে তার পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের কোনো সাক্ষীকে জেরা করার সুযোগ পা”েছন না তারেকের আইনজীবীরা।

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দুনীর্তি দমন কমিশন এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করে। এরপরে ২০১১ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও তার বন্ধু ব্যবসায়ি গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট (অভিযোগ পত্র) দাখিল করেন দুদক। অভিযোগপত্রে বলা হয়, টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় একটি ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র ¯’াপনের কার্যাদেশ পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে “নির্মান কনষ্ট্রাকশন লি.” কোম্পানির ব্যব¯’াপনা পরিচালক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে তারা দুই জন মিলে গ্রহন করে ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে থেকে ২০০৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা সিঙ্গাপুরের ৬৫, চুলিয়া ষ্ট্রীট এর ওভারসীজ চাইনিজ ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেড (ওসিবিসি) এ পাচার করেছে।