অপরাধ রাজশাহী

সরকারী গাছ নিধনের মহাউৎসব

pabna-map3-300x222খাইরুল ইসলাম বাসিদ, পাবনা:পাবনা সদর উপজেলার কোলচরি, শুকচর, কাচিঁপাড়া, আটঘোরিয়া পাড়া, দাসপাড়া এলাকায় ওয়াপদা বাধের সরকারী গাছ কেটে নিধন করেছে দুর্বৃত্তরা। এই গাছ নিধনের সাথে বন বিভাগের লোকজন জড়িত আছে অভিযোগ করেছে এসব এলাকার বেশ কয়েকজন এলাকাবাসী। সরাসরি কাছ কাটার সাথে জড়িত থাকা অবস্থায় ধরে ও ছেড়ে দিয়েছে বন বিভাগের কর্মকর্তাগণ।
জানাগেছে, পাবনা সদর উপজেলার কোলচরী, শুকচর , কাচিঁপাড়া, দাসপাড়্ াএলাকার ওয়াপদা বাধের সরকারী গাছ কেটে নিধন করেছে ঐ সব এলাকার র্দুবৃত্তরা। আর এ গাছ নিধন কাজের সাতে জড়িত অভিযোগ রয়েছে বেশ কয়েকজন বনবিভাগের কর্মচারী ও কর্মকর্তাও বিরুদ্ধে। গত সোমবার বিকেলে পাবনা সদর উপজেলা কাচিপাড়া ওয়াপদা বাধের কয়েকটি সরকারী গাছ কাটে কাচিপাড়া গ্রামের আবুল বিশ্বাসের ছেলে আতিয়ার বিশ্বাস সহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত। এ সময় গাছ কাটা ও নেয়া অবস্থায় ধরে ফেলে সুজানগর বনবিভাগের পিএম মোঃ আবুল হাসান ও এমএল এস এস মোঃ সালাউদ্দিন। এ গাছ কাচিপাড়া ওয়াপদা বাধ থেকে কেটে তারাবাড়ীয়া বাজারে বিক্রির জন্য নেয়া হচ্ছিল । এসময় সাংবাদিক দেখে দুবৃত্তরা ও ভ্যান চালক সটকে পড়ে। এ ব্যাপারে বনবিভাগের ঐ ২ কর্মচারী জানান, কাচিপাড়া গ্রামের আবুল বিশ্বাসের ছেলে আতিয়ার বিশ্বাস কে আমরা ধরে ফেললে সে জোড় খাটিয়ে চলে যায়। ভ্যান চালক তাদের সাথে খারাপ আচরণ করে সটকে পরে। তারাবাড়ীয়া বাজারে কয়েকজন লোক সাংবাদিকদের ম্যানেজ করারও চেষ্ঠা করে।
স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেন যে, বন বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা এই গাছ নিধন কাজের সাথে জড়িত। বন বিভাগের লোকের সহযোগিতা না থাকলে দিনেদুপুরে সরকারী গাছ কাটে কি করে।
এ ব্যাপারে সুজানগর বন বিভাগের ভারপাপ্ত কর্মকর্তা মোকলেসুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান সোমবার আটকৃত গাছগুলো বর্তমানে সুজানগর বনবিভাগের অধীনে আছে। এ ব্যাপরে ২দিন পরে ও কেন মামলা হয়নি জানতে চাইলে তিনি কোন সদউত্তর দিতে পারে নাই।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে বনবিভাগের একজন কর্মচারী জানান, সরকারী গাছ নিধনের সাথে বনকর্মকর্তা/ কর্মচারীদের সম্পর্ক আছে।
এ ব্যাপরে এলাকাবাসীদের দাবি এখনই এই গাছ নিধনের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষতে আর একটি গাছও থাকবে না।