অপরাধ ঢাকা

বিশ্বজিত হত্যা মামলায় আরও এক জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

1355167185.আদালত প্রতিবেদক :বিশ্বজিত দাস হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন দর্জি দোকানের কর্মচারী আব্দুল জব্বার। তিনি লক্ষ্মীবাজারস্থ অতিথি টেইলার্সের কর্মচারী। গতকাল ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক এ বি এম নিজামুল হক এ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ রাখা হয়েছে আগামী ৩১ জুলাই। জবানবন্দিতে আব্দুল জব্বার আদালতকে বলেন,‘ সেদিন ছিল ৯ ডিসেম্বর,২০১২ সাল। আমাদের দোকানে বিশ্বজিত সকাল ৯টার দিকে আসে। কিছুক্ষণ পর সে তার দোকানের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিছুক্ষণ পর লোকমুখে জানতে পারি, বিশ্বজিতকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা কোপাচ্ছে। আমি তখন আমার দোকানেই অবস্থান করছিলাম। পরে বিশ্বজিতকে মারার দৃশ্য বিভিন্ন টেলিভিশনে দেখি।’ এর আগে এ মামলায় গত ২৫ জুলাই আরও দুই জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আর মামলার বাদী সাক্ষ্য দিয়েছেন গত ১৪ জুলাই। এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে আট আসামি কারাগারে আছেন। কারাগারে থাকা আট আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরা হলেন রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, এ এইচ এম কিবরিয়া, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা এবং গোলাম মোস্তফা। আর পলাতক রয়েছেন ১৩ আসামি। এরা হলেন মামলায় পলাতক ১৩ আসামি হলেন রাজন তালুকদার, ইউনুস আলী, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, আজিজুর রহমান, আলাউদ্দিন, ইমরান হোসেন, মীর নূরে আলম লিমন, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, কামরুল হাসান, তারিক বিন জোহর তমাল, মনিরুল হক পাভেল ও মোশাররফ হোসেন। গত ১৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইন অধিবেশন-১ এ হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ বদলির এক প্রজ্ঞাপন জারি করে। গত ২ জুন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক জহুরুল হক এ মামলার ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। এ মামলার ২১ আসামি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শাখার কর্মী। এ মামলায় ১৩ আসামি পলাতক রয়েছেন। গত ৫ মার্চ এ হত্যা মামাটিতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক তাজুল ইসলাম। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন নীরিহ দর্জি ব্যবসায়ী বিশ্বজিত দাস।