অর্থ ও বাণিজ্য খুলনা

ফুটপাতের দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভীড়

image_1474_357553_7293কাঞ্চন কুমার,কুষ্টিয়া থেকে:কুষ্টিয়ায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার। অভিজাত শপিংমল কিংবা বড় বড় বিপণী বিতানের চেয়ে এনএস রোডের ফুটপাতের দোকানগুলোতের তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সের লোকের উপচে পড়া ভিড় বাড়ছে। তবে গতবারের চেয়ে এ বছর তৈরি পোশাক ও গজ কাপড়ের দাম অনেক বেড়েছে বলে ক্রেতার জানান। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, এ বছর রমজানের শুরুতেই বেচাকেনা পুরোদমে শুরু হয়েছে। এদিকে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অভিজাত শপিংমল ও বিপণি বিতানগুলোকে সাজানো হয়েছে বাহারি রঙে। অভিজাত বিপণি বিতানগুলো শোভা পাচ্ছে মেয়েদের আনার কলি, লেহেঙ্গা, পাগলো, শিলা, ছাম্মাকছালো, ঝিলিক, ফুলকি, আনারকলি, শিপন, স্কাট টপস, থ্রি পিস, জিন্স প্যান্ট, জামদানি শাড়ি, বেনারশি, কাতান, সিল্ক, জর্জেট জয়পুরি, ছেলেদের নবাবী পাঞ্জাবি, শেরওয়ানি, ফতুয়া, টি-শার্ট, প্যান্ট এবং ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য রয়েছে বাহারি ডিজাইনের তৈরি পোশাক। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ঈদের আগে আরো নতুন নতুন ডিজাইনের তৈরি পোশাক আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া তৈরি পোশাকের সঙ্গে জুতা, চুড়ি, কসমেটিক্স ও বিভিন্ন গহণার দোকানগুলোতেও ভিড় চোখে পড়েছে। পাশাপাশি এনএস রোডের দোকানগুলোতেও বেচা-কেনার ধুম লেগেছে। নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত এমনকি উচ্চবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মত। এসব দোকানগুলোতেও মেয়েদের আনার কলি, লেহেঙ্গা, পাগলো, শিলা, ছাম্মাকছালো, ঝিলিক, ফুলকি, আনারকলি, শিপন, স্কাট টপস, থ্রি পিস, জিন্স প্যান্ট, জামদানি শাড়ি, বেনারশি, কাতান, সিল্ক, জর্জেট জয়পুরি, ছেলেদের নবাবী পাঞ্জাবি, শেরওয়ানি, ফতুয়া, টি-শার্ট, প্যান্ট এবং ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য রয়েছে বাহারি ডিজাইনের তৈরি পোশাক। বুধবার সকালে সরজমিন গিয়ে দেখা যায়,শহরের এনএস রোডের বিভিন্ন দোকান, বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেট, আব্দুল ওয়াহেদ মার্কেট,এফকে জুয়েলার্স মার্কেট, থানার মোড় মার্কেট, লাভলি টাওয়ারসহ বিভিন্ন মার্কেটে নারী-পুরুষের উপচে পড়া ভিড়। চলছে জমজমাট কেনা-বেচা। তবে-ছোট ছোট পোষাক ঘরগুলো সহ গজ কাপড়ের দোকানগুলোতে বেশি ভিড় লক্ষ করা গেছে। সড়ক বাজারে কাপড় কিনতে আসা ক্রেতাগণের মধ্যে দৌলতপুরের শিরিন ও পারভীন আক্তারের সাথে কথা হলে তারা জানান, এবার ঈদে নতুন কি রকম থ্রি পিসও গজ কাপড় এসেছে তা দেখতে এসেছি। পছন্দ হলে কিনবো। আগে কাপড় না কিনলে পরে দর্জিরা অর্ডার রাখতে চায় না। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় গজ কাপড় ও থ্রি পিসের দ্বিগুণ দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে জামার লেছ ফিতা, জরি ও চুমকির দামও। বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেটের কয়েকেজন ক্লথ স্টোরের মালিকরা জানান গত বছরের চাইতে এ বছর আমাদের বেচাকেনা খুবই ভালো হচ্ছে। রমজানের শুরু থেকেই ক্রেতার বাজারে আসতে শুরু করেছেন। এদিকে তৈরি পোশাক দোকানগুলোতে মেয়ে শিশুদের ফ্রক ফতুয়া, শার্ট, বড়দের আনারকলি, লেহেঙ্গা, পাগলু, শিলা, ছাম্মাকছালো, ঝিলিক, ফুলকি, শিপন, স্কাট টপস, থ্রি পিস, জিন্স প্যান্টসহ বিভিন্ন নামের বাহারি পোশাক তুলেছেন দোকানিরা। তাছাড়াও রয়েছে জামদানি বেনারশি, কাতান, সিল্ক, জর্জেট জয়পুরি শাড়িও। ছেলেদের বাহারি ডিজাইনের শার্ট, নবাবী পাঞ্জাবি, শেরওয়ানি, ফতুয়াসহ বেশ কিছু বৈচিত্র এসেছে। পাশাপাশি জুতা, চুড়ি, কসমেটিক্স ও বিভিন্ন গহণার দোকানগুলোতেও রমজানের শুরু থেকেই বেশ চাহিদা রয়েছে ক্রেতাদের কাছে। দোকানিরা জানান, কসমেটিক্স সামগ্রী কেনার দিকে মেয়েদের বেশ আগ্রহ রয়েছে। কেনাবেচাও বেশ ভালো হচ্ছে বলে জানান। এদিকে ফুটপাতের দোকানগুলোতে সমানতালে স্বল্প আয়ের লোকজন কেনাকাটা করছেন। কেনাকাটা করতে আসা ভেড়ামারার সালাহউদ্দিন জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর কাপড়ের দাম অনেক বেড়েছে। আমাদের মতো স্বল্প আয়ের লোকদের কাপড় কেনা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে। আশা করছেন সামনে আরো বেচাকেনা আরো বাড়বে।