জাতীয় ঢাকা

সেপ্টেম্বরেই তিন যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকর!

Pic-50020130722075601হটনিউজ২৪বিডি.কম,নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: আপিলের রায় দণ্ডিতদের বিপক্ষে গেলে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ট্রাইব্যুনাল ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির ফাঁসি আগামী সেপ্টেম্বরে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামিরা হলেন, জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, আলবদর প্রধান আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও জামায়াত নেতা কামারুজ্জামান।
অন্যদিকে জামায়াতের রুকন আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত ফাঁসি কার্যকর হচ্ছে না।
দণ্ডপ্রাপ্তদের রায় কার্যকরের বিষয়ে উচ্চ আদালতে দ্রুত আপিল কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী, প্রসিকিউটর ও সুপ্রিম কোর্ট সূত্র জানিয়েছে।
জামায়াতের সাবেক আমীর গোলাম আযমকে দেয়া ৯০ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার বিষয়টি সরকারপক্ষ ভাবছে। আপিল বিভাগে কাদের মোল্লার মামলার বিষয়টি দেরি হলেও অন্য দণ্ডপ্রাপ্তদের মামলার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কয়েকটি রায়ের পর্যবেক্ষণে জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাসী সংগঠন এবং সব প্রতিষ্ঠান থেকে জামায়াতিদের সরিয়ে দেয়া উচিত এমন মতামতের পর জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এমকে রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, এ পর্যন্ত ৬টি মামলার রায় হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে এ রায়গুলোর আপিল শুনানি শেষে রায় কার্যকর হতে পারে।
তিনি বলেন, আপিল বিভাগে কাদের মোল্লার মামলাটি শুনানির ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগছে। যেহেতু এই মামলাটিতে রায়ের পর সরকার পক্ষের আপিল করার বিধান করা হয়েছে। সে জন্য বেশ কয়েকজন অ্যামিকাস কিউরির মতামত নেয়া হয়েছে।
অন্যান্য মামলার ক্ষেত্রে তা হবে না। তাই খুব দ্রুতই রায় কার্যকর হবে বলে মনে হচ্ছে। তাছাড়াও ট্রাইব্যুনালে যে মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে, তার মধ্যে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আবদুল আলীম, আশরাফুজ্জামান খান, চৌধুরী মুঈনুদ্দীন ও মতিউর রহমান নিজামীর মামলা দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আশা করছি আগস্টের মাঝামাঝি অথবা সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এই ৫টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে রায় ঘোষণা করা হতে পারে ।
এ ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু বলেন, আমরা আশা করছি সেপ্টেন্বর মাসে চার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির রায় কার্যকর হয়ে যাবে।
ট্রাইব্যুনালের সব মামলার কাজও খুব দ্রুত এগিয়ে চলছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ৪-৫টি রায় হতে পারে বলে মনে করছি।