চট্টগ্রাম শিক্ষাঙ্গন

নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

Noakhali News (1) 20.07.2013নোয়াখালী প্রতিনিধি:জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ের প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে নোয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। গতকাল শনিবার বেলা ১১টার সময় জেলা শহর মাইজদী টাউন হল মোড়ে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় কলেজের ১৪ বিভাগের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেন। ঘন্টব্যাপী মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচির কারণে জেলা শহর মাইজদীতে বিশাল যানজটের সৃষ্টি।

মানববন্ধন ও সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীরা নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবরে একটি স্মারক লিপি পেশ করা হয়।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- নোয়াখালী সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের বিবি আছিয়া, সাইফ উদ্দিন, উজ্জ্বল, ব্যবস্থাপনা বিভাগের মো. আবু বকর ছিদ্দিক, ইমরান হোসেন সাগর তায়েফুল ইসলাম, নিলুফা আক্তার, রসায়ন বিভাগের আবদুল্যা আল মামুন, বিথি রানী ভৌমিক, রায়হান মাহমুদ, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের গৌতম ভৌমিক, অর্থনীতি বিভাগের নাজমুল হাসান ইমন, ইংরেজি বিভাগের প্রিতম দাস, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের মাইন উদ্দিন বাবু, সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের আবদুল কাদের কামরুল, বাংলা বিভাগের মো. নুরুল হুদা, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জাবেদ হোসেন প্রমুখ।

এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, গত ১৪ জুলাই প্রকাশিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিন ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষের যে ফল প্রকাশিত হয়েছে তা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রহসন মাত্র। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কোন প্রকার প্রস্তুতি ছাড়া হঠাৎ করে গ্রেডিং সিস্টেম করার কারণে বর্তমানে এই বিপর্যয়ে পড়তে হলো লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীকে। তারা বলেন, যে সকল শিক্ষক দ্বারা উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে তাঁরা নিজেরাও এ পদ্ধতির সাথে অভ্যস্ত নয়। তাই এ বিপর্যয় থেকে শিক্ষার্থীদের কাটিয়ে তুলতে অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা উত্তরপত্র পুন: মূল্যায়ন করার জন্য দাবি জানানো হয়।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, একদিকে তাদের ৪ বছরের কোর্স শেষ করতে প্রায় ৭ বছর লেগে যায়। সেশনজটের কারণে প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ হয়েছে প্রায় আড়াই বছর পর। তাও ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। যে গ্রেডিং সিস্টেমে পরীক্ষা উত্তর পত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে সে হিসেবে ঠিকমতো ক্লাস হয়নি। এমন সমস্যা থেকে উত্তোরণের জন্য শিক্ষার্থীরা শিক্ষা মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।