খুলনা জাতীয়

১৩ বছরেও হয়নি সাংবাদিক শামছুর রহমান হত্যার বিচার

Samsur-1020130716041909নিজস্ব প্রতিবেদক,হটনিউজ২৪বিডি.কম,ঢাকা: যশোরের সাংবাদিক শামছুর রহমানের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০০ সালের ১৬ জুলাই জনকণ্ঠের যশোর অফিসে কর্মরত অবস্থায় আঁততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হন।দীর্ঘ সময় পরও এ নির্মম হত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ হয়নি। এই নিয়ে পরিবারে রয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশা।শামছুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন (জেইউজে) দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সকালে শহরের কারবালা কবরস্থানে তার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে স্মরণসভা।নিহতের সহোদর সাংবাদিক সাজেদ রহমান বলেন, ২০০১ সালে সিআইডি এ মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।এরপর বিগত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর কয়েক আসামির আগ্রহে মামলার বর্ধিত তদন্ত করে শামছুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সাংবাদিক নেতা ফারাজী আজমল হোসেনকে নতুন করে আসামি করা হয়। এ সময় মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়ে সাক্ষী করা হয় আসামিদের ঘনিষ্ঠজনদের।এরপর বিতর্কিত ওই বর্ধিত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর ২০০৫ সালের জুনে যশোরের বিশেষ জজ আদালতে এ মামলার চার্জ গঠন করা হয়।

ওই বছরের জুলাইয়ে বাদীর মতামত ছাড়াই গোপনে মামলাটি খুলনার দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তর করা হয়। এ অবস্থায় মামলার বাদী শামছুর রহমানের সহধর্মিণী সেলিনা আকতার লাকি বিচারিক আদালত পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টে আপিল করেন। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে রুলনিশির জবাব না দেয়ায় মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া থমকে আছে।
উল্লেখ্য, এ মামলার চার্জশিটভুক্ত ১৬ জনের মধ্যে খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী মুশফিকুর রহমান হিরক পুলিশের খাতায় পলাতক।
আরেক আসামি খুলনার ওয়ার্ড কমিশনার আসাদুজ্জামান লিটু র্যাবের ক্রসফায়ারে, কোটচাঁদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন কালু হূদরোগে ও যশোর সদরের চূড়ামনকাঠির আনারুল প্রতিপক্ষের হামলায় মারা গেছেন। বাকি আসামিরা জামিনে।