জাতীয় ঢাকা

৩৪ তম বিসিএস ফলে এবার বাদ পড়লো উপজাতি

public-service20130715220956হটনিউজটোয়েন্টিফোরবিডি.কম,ঢাকা: কোটা জটিলতা নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির মধ্যে ফল পরিবর্তন করে প্রায় চারগুণ প্রার্থীকে দ্বিতীয় দফায় প্রকাশিত প্রিলিমিনারির ফলে উত্তীর্ণ দেখালেও এবার বাদ পড়েছে উপজাতি কোটার প্রার্থীরা।৩৪তম বিসিএসের প্রথম দফার ফলে ১২ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হলেও সংশোধিত ফলাফলে নিজেদের নিবন্ধন নম্বর খুঁজে পাচ্ছেন না আড়াই শতাধিক উপজাতি প্রার্থী।সংশোধিত ফলে বঞ্চিত এসব প্রার্থী মঙ্গলবার পিএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাত করতে যাবেন বলে হটনিউজকে জানিয়েছেন।এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় উত্তীর্ণ-অনুত্তীর্ণ নিয়েও সংশোধিত ফলে প্রশ্ন উঠেছে। ৬২টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েও প্রথমবার উত্তীর্ণ না হওয়া এক প্রার্থী দ্বিতীয়বার উত্তীর্ণ হয়েছেন।গত ৮ জুলাই প্রথমবার প্রিলিমিনারিতে কোটার ভিত্তিতে প্রকাশিত ফলে ১২ হাজার ৩৩ জন উত্তীর্ণ হন।বিভিন্ন ক্যাডারে ৪৪২টি পদসহ মোট দুই হাজার ৫২টি পদে নিয়োগ দিতে এ বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে পিএসসি। গত ২৪ মে অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেয় এক লাখ ৯৫ হাজার পরীক্ষার্থী।প্রথম দফায় প্রকাশিত ফলাফলে মেধাবী প্রার্থীদের অনেকেই বাদ পড়েছেন- অভিযোগ করে আন্দোলন শুরু হয়। তাদের অভিযোগ, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৬০-৬৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হলেও ৮০টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়েও অনেকের ফল নেই।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংসতার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও কোটা বাতিল আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনের মুখে গত ১০ জুলাই ফল পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা দেয় পিএসসি।এরপর গত ১৪ জুলাই প্রিলিমিনারির সংশোধিত ফল প্রকাশ করে পিএসসি, এতে ৪৬ হাজার ২৫০ জন লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন।ওই দিন পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ. ই. ম. নেছার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘কোটার ভিত্তিতে প্রকাশিত ফলাফলে উত্তীর্ণ ১২ হাজার ৩৩ জনকে রেখেই ফল পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে।’সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-সন্তুতিদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। পাঁচ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে উপজাতি তথা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য। নারী ও জেলা কোটা ১০ শতাংশ করে এবং প্রতিবন্ধী কোটায় রয়েছে এক শতাংশ।দ্বিতীয় দফা প্রকাশিত ফলে বাদ পড়া উপজাতি কোটার একাধিক প্রার্থী বলেন, সংশোধিত ফলে পিএসসির কথার কোনো মিল পাওয়া যাচ্ছে না। উপজাতি কোটার প্রার্থীদের বাদ দিয়ে পিএসসির এই ফল প্রশ্নবিদ্ধ রয়ে গেল।

এ বিষয়ে সোমবার আ. ই. ম. নেছার উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।