ঢাকা সাক্ষাতকার

একজন সফল সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব মেজর (অব:)আতমা হালিম

imagesমো:মনিরুজ্জামান (অপূর্ব):আমাদের গৌরবোজ্জল ইতিহাসে অনেক কালজয়ী পুরুষ রয়েছেন যাদের মেধা শ্রম,ত্যাগে
দেশ সমাজ ও জাতি উপকৃত হয়েছে।আলহাজ্ব মেজর (অব:)আতমা হালিম তাঁদের মধ্যে
একজন।যে জাতি গুনীজনদের সমাদরে সাড়া দিতে ব্যর্থ হয় সে জাতির পুরুষরা হতাশার
অন্ধকারে কাতরিয়ে আলোর পথ খুঁজে পায়না ,পরশ্রীকাতরতাও হীনমণ্যতার কালোমেঘ
আমাদের জাতীয় জীবনকে গ্রাস করে ফেলেছে । ফলে নি:স্বার্থ সমাজসেবী ও জনদরদী
মানুষের তেমন একটা আবির্ভাব হচ্ছে না। সমকালীন মনীষীদের সঠিক মূল্যায়নে আমরা সচেতন নেই বলে অনেক ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তিরাও সম্মান কুড়ায় এবং প্রকৃত দেশপ্রেমিকরা
রয়েজান পদ্দার আড়ালে।ফরিদপুর ২ আসনে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায়,এ আসনের মাঝে
উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছেন এক কর্মবীর ও সফল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব
মেজর (অব:)আতমা হালিম।মেধা,মনন, কর্মপ্রয়াস,শ্রম ও অধ্যবশায়ের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে আলহাজ্ব মেজর (অব:)আতমা হালিম নিজেকে
গড়েছেন পরিশীলিতভাবে।শৃঙ্খলিত জীবন নয় ,মুক্ত জীবন জাপনেই তাঁর আরাধনা।আবার একাকী মুক্ত জীবন নয় ,সম্মিলিত মুক্তির চেতনা ও দর্শন তাঁর মাঝে সদা জাগ্রত যেন অতন্ত্র প্রহরী ।জীবনের সুদীর্ঘ সময়ে কখনো ,খেলোয়াড়, কখনো সংগঠক ,সমাজকর্মী
এবং সর্বোপরি একজন ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি সবকিছু মিলিয়ে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব
হিসেবে পরিচিত প্রত্যক্ষ রাজনীতি সম্পৃক্ততা দীর্ঘ দিনের না হলেও বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানের জীবন আদর্শ ও দেশাত্ববোধ তাঁকে ভীষন রকম অনুপ্রাণিত করতো ।
ফলে আওয়ামীলীগের রাজনীতির একজন অনুরাগী হিসেবে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন
নিবীড়ভাবে। তিনি ১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেন ।২০০০সালে তিনি প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন ।নিজ মেধা ও ব্যবস্থাপনা যোগ্যতাগুনে একজন
ব্যবসা শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।কেবল নিজস্ব ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারনই নয় বরং সফল রাজনীতিবিদ হিসেবে ফরিদপুর ২ আসনের সালথা, নগরকান্দা এলাকায় মেজর আতমা হালিম ব্যপক সুপরিচিত ও নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন ।
জননেত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সৈনিক বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের সক্রিয় অংশগ্রহনকারী ফরিদপুর ২ আসনের নগরকান্দা (সালথা) জনপ্রিয়নেতা এবং আগামী দশম
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাংখিত ও মনোনিত প্রার্থী
আলহাজ্ব মেজর (অব:)আতমা হালিম ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার বল্লভদী
ইউনিয়নের সোনাতন্দি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিরারে জন্মগ্রহন করেন তিনি ।পিতা মৃত
এম এ রহমান ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক এবং তৎকালীন জেলা জজকোর্টের জুরী বোর্ডের সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক। দীর্ঘ জীবন বাংলাদেশ সেনাবাহিনতে নিয়োজিত থেকেও এলাকার মানুষকে তথা বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যপারে যে অভূতপূর্ব সাফল্য
দেখিয়েছেন তা সত্যিই বিরল। ২০০০ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়েই সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহন করে আজ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের স্থানীও ও জাতীয় কর্মকান্ডের সাথে
সক্রিয় অংশগ্রহন করে ইতোমধ্যে নিজ নির্বাচনী এলাকায় জনপ্রিয়তার শক্ত আসন গড়েছেন
তিনি ।রাজনৈতিক অঙ্গনে আগাগোড়াই একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ। ফরিদপুরের এই
কৃতি সন্তান জনগনের আত্তার সাথে মিশে গিয়ে রাজনীতি করতে চান। তাঁর কাছে এলাকার
তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারন মানুষই তাঁর প্রকৃত
আততীয়।
আতমা হালিমের রয়েছে অনেক স্বপ্ন ।তাঁর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নিজ এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও সম্পৃতির অটুক
বন্ধন ,যেখানে থাকবেনা কেউ দরিদ্র । একই সাথেতিনি অস্থির রাজনীতিমুক্ত একটি বাংলাদেশের প্রত্যাশা করেন ।যেখানে রাজনীতিবীদগণ দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থকেই
অধিক প্রাধান্য দেবেন। তিনি সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদী মহতী মানুষের উচ্চতায় সমাসীন করেছে। এই স্মিত হাস্যোজ্জল
মানুষটি অলস বসে থাকতে চান না তিনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্টির উন্নয়নে বিভিন্নভাবে
সহযোগিতা করে চলেছেন ।তার একটি বক্তব্য হচ্ছে এলাকার মানুষের জন্য একটি শক্ত বার্তা তিনি বারবার উচ্চারণ করেন রাজনীতিবীদদের সৎও সহনশীল হতে হবে।মেজর (অব:)আতমা হালিম সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।