আন্তর্জাতিক

ইমিগ্রেশন বিলের ভাগ্য নির্ধারণে আরেকটি বড় ধাপ

usa20130709135845হটনিউজটোয়েন্টিফোরবিডি.কম,নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ১ কোটি ১০ লাখ আনডকুমেন্টেড অধিবাসীকে বৈধতা দিতে তৈরি ইমিগ্রেশন বিলের ভাগ্য পরীক্ষার আরেকটি বড় ধাপ ১০ জুলাই বুধবার। এই আনডকুমেন্টেডদের মধ্যে এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশি রয়েছে।

বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রিপাবলিকান পার্টির জাতীয় কনফারেন্সের বিশেষ সভা। ধারণা করা হচ্ছে এই সভা থেকেই রিপাবলিকানরা সিদ্ধান্ত নেবেন তারা বিলটির পক্ষে থাকছেন নাকি বিরোধিতা করবেন। আর সেই সিদ্ধান্তেরই প্রতিফলন ঘটবে পরবর্তীতে রিপাবলিকান অধ্যুসিত হাউসে।

এরই মধ্যে সিনেটে বিলটি বিপুল ভোটে পাশ হয়েছে। তবে সেটি ডেমোক্র্যাট অধ্যুসিত। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন রিপাবলিকানদের নীতি নির্ধারনী সভায় বাইপার্টিজান সমন্বিত গ্যাং অব এইট এর তৈরি ইমিগ্রেশন বিলটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। রিপাবলিকান শীর্ষ নীতি-নির্ধারকদের কেউ কেউ সেই আভাসই দিয়েছেন।

দু’একজন জানিয়েছেন এবারের সভার আলোচনার কেন্দ্রেই থাকবে সিনেটে পাশ হয়ে যাওয়া বিলটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রিপাবলিকানদের মধ্যেও বিলটির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার মনোভাব প্রকট। তবে বিপরীত মতও রয়েছে। তারা সংশোধিত আকারে এই বিলটি পাশের উদ্যোগ যেমন নিতে পারেন তেমনি এ বিষয়ে একটি নতুন বিল হাউসে উত্থাপন করার আলোচনাও রয়েছে। বুধবারের সভা থেকেই এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। আর সেই সিদ্ধান্তেই নির্ভর করবে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নতুন ইমিগ্রেশন বিলের ভাগ্য। আর এ কারণেই হাউসে ভোটাভুটির আগেই রিপাবলিকানদের বুধবারের সভাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

তবে ইমিগ্রেশন ইস্যুটি আমেরিকান জনগণের কাছেও এখন একটি আলোচনার ও গুরুত্বের বিষয় হয়ে উঠেছে। ফলে রিপাবলিকানদের মধ্যেও জনমতকে গুরুত্ব দেওয়ার মনোভাব দেখা গেছে। তাদের মধ্যে একটি বড় ও শক্তিধর অংশ ইতিমধ্যেই সিনেটে পাশকৃত বাইপার্টিজান বিলটির প্রতি সমর্থন দেখিয়েছেন। এবং সুযোগ পেলেই এ বিষয়ে তাদের মত তুলে ধরছেন।

আগামী ২০১৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখেই রিপাবলিকানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই বিলের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন। তারা এই রিফর্ম বিলকেই পরবর্তী নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখনো এর বিপক্ষে তাদের অবস্থান ধরে রেখেছেন। কেউ কেউ এ সংস্কার বিলকে অবমাননা করতেও ছাড়ছেন না। হাউসের স্পিকার জন বোয়েনারের মন এখনো টলেনি। তিনি বলে দিয়েছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকানদের সমর্থন না পেলে এই বিল তিনি হাউসের ফ্লোরেই ছাড়বেন না। বুধবারের সভায় রিপাবলিকানদের সেই মনোভাব জানা যাবে। এখন শুধু তারই প্রতীক্ষা।