খুলনা

অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে এন,সি হয়ে যাচ্ছে আর,সি

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নির্দেশে সম্প্রতি সময়ে নতুন সংযোগ দেওয়া থেকে একেবারে বিরত থাকার ঘোষনা দেওয়ার পরও কিছু অসাধু অর্থলোভী কর্মকর্তাদের কেরামতির ফলে নতুন সংযোগ হচ্ছে হারহামেশায়। অথচ কর্তৃপক্ষ বার বার বলছে নতুন সংযোগ দেওয়া বন্ধ আছে। তারপরও বিভিন্ন এলাকায় নতুন সংযোগ স্থাপন হচ্ছে। তবে এ সংযোগ গুলো কিভাবে স্থাপিত হচ্ছে জানে না নতুন গ্রাহকরা। তারা শুধু জানে কত টাকা করে দিতে হয়েছে।

তথ্যানুযায়ী মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সংযোগ নেওয়ার জন্য ২০০৮ সালে আবেদন করেও অনেকে তাদের বাড়িতে সংযোগ পায়নি আজও। বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বারং বার ওভার লোড কিংবা মিটার নেই বলে ঘুরিয়েছে বেশ কয়েকবার। আবার অনেকের মাপযোগও হয়েছে। কিন্তুু সংযোগ পাইনি। সম্প্রতি কয়েক মাস আগে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ একেবারে গাংনী এলাকায় নতুন সংযোগ বন্ধ ঘোষনা করে। এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো ৪ ও ৫ নং ফিডার যা অধিক লোডসম্বলিত ফিডার। কিন্তুু এক শ্রেণীর অসাধু. অর্থলোভী কর্মকর্তার যোগসাজসে গাংনী উপজেলার কাজিপুর, দেবীপুর, কল্যাণপুর, ভরাট সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে দেওয়া হয়েছে নতুন সংযোগ। এমনকি অধিক লোডে আক্রাšত ৪ নং ফিডারও বাদ যায়নি।আর নতুন সংযোগ পেতে গ্রাহককে গুনতে হয়েছে ৭ থেকে ১০ হাজার টাকা। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, এন,সি (নতুন সংযোগ)/ আর.সি (পুরোনো সংযোগ) কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের কেরামতিটা এখানেই। গ্রাহকের আবেদনকৃত এন,সি হয়ে যাচ্ছে আর,সি ব্যাস কয়েকদিনের মধ্যেই গ্রাহকের ঘরে মিটার। অথচ গ্রাহক জানেনা এটি এনসি না আর সি। কয়েকজন জানান, লাইনম্যানরা খোঁজ রাখে কোন মিটার ব্যবহার হচ্ছে না সে গুরো সনাক্ত করে নাম পরিবর্তনের মাধ্যেমেও গ্রাহকের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা নিয়ে পুরোনো সংযোগ স্থাপন করছে।

৪ নং ফিডারে অধিক লোড থাকার পর কিভাবে সংযোগ স্থাপন হচ্ছে জানতে চাইলে বামন্দী পল্লী বিদ্যুত অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার গৌতম জানান, এগুলোতো আমার জানার কথা নই তাছাড়া এব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না। এসব বিষয় ডিজিএম স্যারের কাছে গেলে সব জানতে পারবেন ।

এব্যাপারে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাংনী জোনাল অফিসের ডিজিএম শৈলেন্দ্র নাথ জানান, গাংনীর ৪ ও ৫ নং ফিডার অধিক লোড হওয়ায় নতুন সংযোগ বন্ধ আছে বেশ কয়েকমাস ধরে। এর মধ্যে ৪ নং ফিডারেত কোনমতেই সম্ভব নই। তা হলে সপ্তাহখানে আগে ৪ নং ফিডারে একটি নতুন সংযোগ স্থাপন হলো কিভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন কিছু রাজনৈতিক চাপ থাকে তাছাড়া দালালদের অত্যাচার তো আছেই। তাছাড়া যদি পল্লী বিদ্যুতের কোন কর্মচারী কর্মকর্তা জড়িত থাকে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।