অপরাধ রাজশাহী শিক্ষাঙ্গন সিরাজগঞ্জ

রতনকান্দিতে ছাত্রকে পিটিয়ে জখম করেছে বিদ্যালয় শিক্ষক

index সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: অসুস্থতার  কারনে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় ৬ষ্ট শ্রেনীর এক ছাত্রকে পিটিয়ে জখম করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষক। সিরাজগঞ্জের গান্ধাইল রতনকান্দি ইউনিয়ন আলী আহম্মেদ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত ছাত্র নরোত্তম সাহা গান্ধাইল বাজারের সুশেন চন্দ্র সাহার ছেলে। তার বাবা বিদ্যালয়ের পাশেই বাদাম দোকান বিক্রি করে । আহত ছাত্র নরোত্তম কুমার সাহা জানায় ৪ দিন জ্বরের কারনে অসুস্থ থাকার পর রবিবার বিদ্যালয়ে যায় সে।  প্রথম ক্লাশের সময় শ্রেণী শিক্ষক মোঃ মাসুদ রানা তাকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার কারন জানতে চাইলে সে অসুস্থতার কথা বলে এসময় শ্রেণী শিক্ষক তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ২৪টি বেত্রাঘাত করে । সে শিক্ষকের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইলেও তাকে ক্ষমা না করে উপুর্যপরি আঘাত করতে থাকে। বিকেলে স্কুল থেকে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়ির লোকজন তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ দেখতে পায় এবং শিক্ষকের পিটানোর কথা জানতে পারে। পরে শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে আসে। সে বর্তমানে অসুস্থ হয়ে বাড়িতেই আছে।  বিকেলে শিশুটির মামা আর বাাবা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। শিশুটির বাবা সুশেন চন্দ্র সাহা জানান মাসুদ শিক্ষক মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন ছাত্রকে নিয়মনিতীর তোয়াক্কা না করে মারধর করে।  শিক্ষক ছাত্রদের শাষন করবে সেটা ঠিক কিন্তু এভাবে মারলো আমরা কি করবো আমরা গরীব মানুষ শুধু সহ্য করে যেতে হবেই। শিশুটির মা জানান বাড়িতে এসে ভয়ে কিছুু বলে নাই নরোত্তম সাহা,বিকেলে  ব্যাথায় কাতরাতে থাকলে জানতে পারা যায় মাসুদ শিক্ষকের মারের কথা ,তবে হতদরিদ্র হবার কারনে তারা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কথা বলতে পায় পাচ্ছে বলে জানান তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবিবাবক জানান কাজিপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক খলিল সিরাজীর ভাগ্নি জামাই হওয়ায় এই ,াসুদ শিক্ষক কাউকে কোন তোয়াক্কা করে না। সে আওয়ামীলীগের নেতার ভয় দেখিয়ে স্কুলে আধিপাত্য বিস্তার করেছে ,কোন শিক্ষক ভয়ে তাকে কিচু বলে না এমন কি প্রধান শিক্ষকও না। অভিযোগ উঠেছে  মাসুদ শিক্ষক নরোত্তম কে পেটানোর পর বিভিন্ন শ্রেনীতে বলেছে  নোরত্তম কে পিটিয়েছি ঠিকমত এখন থেকে এইবাবেই সবাই কে পেটাবো এমন শিশুটিকে পেটানোর সময় নাকি বলেছে যা প্রধান শিক্ষক কে গিয়ে বল আমি টিপটিয়েছি পারলে যেন আমাকে কিছু বলে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃমাসুদ রানা জানান বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার জন্য তাকে শাষন করা হয়েছে তবে কোন বেত্রাঘাত করা হয়নি। মাঝে মাঝে সে স্কুলে আসে না এই ব্যাপারে তার বাবা আমাকে অভিযোগ করে শাষন করার কথা বলেছে তাই একটু শাষিয়েছি শুধু নরোত্তম কে অনেক ছাত্রকেই শাষিয়েছি একটু শাষন না করলে ছাত্ররা ভয় পায়না। আর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ লুৎফর রহমান জানালেন অভিযোগ পাবার পর গণিতশিক্ষক মাসুদ  কে সতর্ক করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। তিনি বলেন শিক্ষকরা ছাত্রদের শাষন করবে আবার আদর করবে না হলে তো চলবে না। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ছাত্র এবং অবিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।