অপরাধ ঢাকা

মুক্তা হত্যা মামলার প্রথম দফা তদন্তে ২২জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

images (3)নেত্রকোনা প্রতিনিধি:আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তদন্ত সংস্থার তদন্ত দল রবিবার নেত্রকোনার শহীদ বদিউজ্জামান মুক্তা হত্যা মামলার প্রথম দফা তদন্ত শেষ করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান কবির জানান, শুক্রবার থেকে রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ টানা তদন্ত কাজ চালিয়ে প্রাথমিক পর্যায় শেষ করেছেন। ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন তারা। রবিবার দুপুরে অন্য মামলার তদন্ত কাজে নেত্রকোনা ছেড়ে কিশোরগঞ্জে যাবেন বলে জানান তিনি।তিনি জানান, মামলার সংশ্লিষ্ট ঘটনাস্থল লক্ষীগঞ্জ ব্রীজ বধ্যভূমি, মোক্তারপাড়াব্রীজ,সাতপাই নদীর পাড় ও ত্রিমোহনী ব্রীজ বধ্যভূমি, শহরের মসজিদ কোয়াটার এলাকার সেসময়ের পাকসেনা ও তাদের দোসরদের টর্চার সেল, সাতপাই ভকেশনালইনষ্টিটিউটের পাক সেনা ক্যাম্প, বিরামপুর বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে এসব স্থানের আলোকচিত্র এবং স্ক্যাচ ম্যাপ সংগ্রহ করা হয়েছে জানান শাহজাহান কবির।তিন সদস্যের তদন্ত দলের অপর দুইজন হচ্ছেন, হরি দেবনাথ ও আতাউর রহমান।মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ২৮ কার্তিক সকাল প্রায় ১১টার দিকে সদর উপজেলার নরেন্দ্র নগর গ্রামে শহীদ বদিউজ্জামান মুক্তাকে বিরামপুর বাজার থেকে ধরে নিয়ে যায় রাজাকার, আলবদর ও আল সামস বাহিনীর লোকজন। পরে তারা নির্যাতন করে বদিউজ্জামান মুক্তাকে ভোরে জেলা শহরের মোক্তারপাড়া ব্রীজে গুলি করে হত্যা করে। এই অভিযোগ এনে ১২জনের নামোল্লেখসহ আরো অনেককে আসামি করে ২০১০সালের১২ আগষ্ট নেত্রকোনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-১ এ মামলা করেন মুক্তার ভাতিজা আলী রেজা কাঞ্চন। আদালত মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠায়।আসামীরা হচ্ছেন, মোক্তারপাড়া এলাকার মোঃ ওবায়দুল হক তাহের (৬০), আতাউর রহমান ননী (৫৯), শহীদ উল্লাহ পিন্টু (৬২), শহীদুর রহমান মাজু (৫৮), মোঃ ফজলুর রহমান ((৬৮),মোঃ ইউসুফ (৬১), মিষ্টার মিয়া (৫৮), মোঃ মানিক মিয়া (৫৮), আব্দুর রশিদ (৬০), ফরিদ আহম্মদ , কুড়পড় এলাকার মোঃ হাফিজ উদ্দিন মীর (৮০) ও সদর উপজেলার মেদনী গ্রামের মোঃ আব্দুল ওয়াহাব খান রুনো । এর মধ্যে শহীদুর রহমান মাজু ও মোঃ ইউসুফ মামলা দায়েরের পর মারা গেছেন।