জাতীয়

আমার জন্ম না হলে তেমন কিছুই হতো না

Nurul-islam-bg20130705034414 (1)বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।

সিলেট: `আরো দশজন মানুষের মতোই আমি। আমি মনে করি জগতে আমার জন্ম না হলে তেমন কিছুই হতো না। তৃতীয় বিশ্বের এই দেশে এখন জন্মদিন পালনের রেওয়াজ গড়ে ওঠেনি। তাই আমার জন্মদিন অন্যদিনের মতোই। বৃহস্পতিবার ছিলাম নিজ শহর সিলেটের নিজ বাড়ি বিয়ানীবাজারে।

আজ (শুক্রবার) সরকারি কাজে গোপালগঞ্জে আছি। কাজের মধ্য দিয়েই আমার জন্মদিন পালন করছি।‘এভাবেই হটনিউজকে কথাগুলো বলছিলেন বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

১৯৪৫ সালের ৫ জুলাই তিনি জন্মগ্রহণ করেন। সেইদিন হয়তো কেউ কল্পনাই করেনি বিয়ানীবাজারের মত প্রত্যন্ত এলাকার একজন হবেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী।

শুক্রবার ৬৯তম জন্মদিনে কাজেই ব্যস্ত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। নুরুল ইসলাম নাহিদ সিলেট জেলায় বিয়ানীবাজার উপজেলার কসবা নামক গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন। তিনি কসবা প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিয়ানীবাজার পঞ্চখন্ড হরগোবিন্দ হাইস্কুল, সিলেট এমসি কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটে ষাটের দশকের শুরুতে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় কর্মী হিসেবে। বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুদীর্ঘ কাল। ছাত্র ইউনিয়নেরও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া এই বৃহৎ ছাত্র সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও তিনি দয়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৬ সালে ৭ম ও ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা (সিলেট-৬) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৬ সালের ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের সফল শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে তার সুনাম রয়েছে। গুণী এই ব্যক্তির লেখা দুটি বই প্রকাশিত হয় আশির দশকে, একুশের বইমেলয় তার তিনটি প্রবন্ধ সংকলন প্রকাশিত হয়। এছাড়া তার লেখা কয়েকশ` নিবন্ধ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়া প্রতিনিধিত্ব করেছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে। বাংলাদেশের শিক্ষার অগ্রগতিতে তার বড় অবদান শিক্ষানীতি প্রণয়ন।