খেলা

ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ !

bangladesh-BG-72520130704232942খেলাধূলা ডেস্ক: বাংলাদেশ এবার এককভাবে বিশ্বকাপের আয়োজন করছে। হোক সেটা ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ সংস্করণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠেয় এ টুর্নামেন্ট নিয়ে উৎসাহের কমতি নেই ক্রিকেটপ্রেমী বাংলাদেশিদের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সব আয়োজন করতে পারবে তো বাংলাদেশ! সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় আশঙ্কা এখন এমনটাই।

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বেশ কিছু ম্যাচ চলে যেতে পারে ভারতে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সমস্যা না মিটলে গোটা টুর্নামেন্টই হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লন্ডনে সদ্য সমাপ্ত আইসিসির বৈঠকের পর এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও বিষয়টি নিয়ে রয়েছে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে। যদিও তারা বারবার বলছেন সব আয়োজন ঠিকঠাকই হবে।

কিন্তু কি এমন ঘটলো যে গোটা বিশ্বকাপ আসরটাই সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে? এমন প্রশ্ন এখন সব মহলে। আর সবশেষ আইসিসি বৈঠকের পর এই প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হয়েছে।

পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করার কথা বাংলাদেশের। ভারতে এ আসর বসার কথা ২০১৬ সালে। কিন্তু ঢাকা, কক্সবাজার, সিলেট এবং চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতায় যদি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিবেশ না থাকে, সেক্ষেত্রে চটজলদি সমাধান হতে পারে ভারত।

কারণ হাতে আর সময় বিশেষ নেই। বাকি মাত্র সাত-আট মাস। এসময়ের মধ্যে বাংলাদেশ সব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবে এমন সম্ভাবনা দেখছে না অনেকেই।

ভারতীয় বোর্ডের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট জগমোহন ডালমিয়া বৃহস্পতিবার সিএবি-তে বলছিলেন, আমরা কারও থেকে ম্যাচ কেড়ে নিতে চাইছি না। সেটা সবার আগে বুঝতে হবে। আমরা বরং বাংলাদেশকে সাহায্যই করতে চাই। বাংলাদেশে যদি সমস্যা না মেটে, তাহলে কয়েকটা ম্যাচ আমরা আয়োজন করে ওদের সাহায্য করারই চেষ্টা করব।

তাহলে কি ধরে নেওয়া যেতে পারে, আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখতে চলেছে ভারত? এবার ডালমিয়ার উত্তর, আর ছয়মাসের মতো বাকি। আগামী দু’তিন মাসে যদি কিছু না হয়, তা হলে সম্ভাবনা আছে।

ক্রিকেট বোর্ডে ডালমিয়ার ঘনিষ্ঠ কোনো কোনো কর্মকর্তা আবার জানাচ্ছেন, কয়েকটা ম্যাচ নয়, পুরো বিশ্বকাপটাই সরে আসতে পারে। কারণ, ওই চার শহর বাদে বাংলাদেশে তেমন ভালো কোনো শহরে ক্রিকেট স্টেডিয়াম নেই। বলা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপের কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পেতে পারে ইডেনও।

এখন ফাইনালি কি হয়, সেটাই দেখার বিষয়।