সকল মেনু

রাজধানীর বিভিন্নস্থানে তাজিয়া মিছিল সম্পন্ন

রাজধানীর বিভিন্নস্থানে তাজিয়া মিছিল সম্পন্ন
রাজধানীর বিভিন্নস্থানে তাজিয়া মিছিল সম্পন্ন

২৪ অক্টোবর ২০১৫, নিরাপদ নিউজ : প্রকাশ এর মাধ্যমে আজ শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে সম্পন্ন হল শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছল। পুরান ঢাকার হোসনী দালানসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে তাজিয়া মিছিল বের করেছে শিয়া সম্প্রদায়।

শনিবার সকাল পৌণে ১০টায় এই মিছিল শুরু হয়ে শেষ হয়ে দুপুর নাগাদ শেষ হয়। শিয়া সম্প্রদায়ের হাজার হাজার লোকজন এই মিছিলে অংশগ্রহন করে।

শোকের প্রতীক হিসেবে কম বেশি সকলেই কালো পোশাক পরেছেন। তাজিয়া মিছিলের আয়োজকরা বলেছেন, মিছিলে শুধু শিয়া সম্প্রদায়ের লোকজনই নেই, মুসলিম ধর্মের অন্য সম্প্রদায়ের লোকজনও আছেন। পুরান ঢাকায় সবচেয়ে বড় তাজিয়া মিছিলটি হয়।

উল্লেখ্য, আজ শনিবার পবিত্র আশুরা। কারবালার শোকাবহ ঘটনাবহুল এদিন মুসলমানদের কাছে ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের প্রতীকের পাশাপাশি বিশেষ পবিত্র দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

প্রায় এক হাজার ৩৩৩ বছর আগে এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) কারবালা প্রান্তরে শহীদ হন।

এ ছাড়া ১০ মহররম আশুরার দিন মহান আল্লাহতায়ালা পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং আবার এদিন কেয়ামত হবে। এর বাইরে এদিন হযরত ইব্রাহিম (আ.) নমরুদের অগ্নিকুণ্ড থেকে রক্ষা পেয়েছেন, হযরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি পান। এ রকম অসংখ্য ঘটনায় তাৎপর্যমণ্ডিত এ দিনটি।

১০ মহরম হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) এবং তার পরিবার ও অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

এ ঘটনা স্মরণ করে বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে। শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের মহান আদর্শকে সমুন্নত রাখতে তাদের এই আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ও পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী সকলকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা যোগায়। মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও শনিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র আশুরা পালিত হচ্ছে। আজ সরকারি ছুটি।

এ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক আগামীকাল বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি রেডিও-টিভি চ্যানেলও এই দিনের তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার নেবে না।

top